আজকাল ওয়েবডেস্ক: ব্যস্ততার জীবনে খুব কম মানুষের পক্ষেই সঠিক ডায়েট মেনে খাওয়া-দাওয়া সম্ভব হয়। তাই ভিটামিনের অভাব হওয়া খুব একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এদিকে দিব্যি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষও ভিটামিনের অভাবে বড় রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। আসলে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট আর প্রোটিনের ঘাটতি নিয়ে সতর্ক থাকলেও, ভিটামিনের প্রতি আমাদের অবহেলার শেষ নেই। সুস্থতার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন দরকার। যার মধ্যে ভিটামিন সি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে এই ভিটামিন। শীতকালের বিভিন্ন ধরনের খাবারে ভিটামিন সি-এর খাটতি মেটাতে পারেন। জেনে নেওয়া যাক সেই বিষয়ে-
কমলালেবু-শীতকালের অত্যন্ত উপকারী একটি ফল হল কমলালেবু। এতে রয়েছে ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। একটা কমলালেবুতে মোটামুটি ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে। নিয়মিত এই ফল খেলে ইমিউনিটি বাড়ে। ভিটামিন সি ছাড়াও এই ফলে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি৬, পটাশিয়াম সহ একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। তাই শীতে রোজ খান কমলালেবু।
আমলকিতে- ভিটামিন সি-এর সেরা উৎস হল আমলকি। জানলে অবাক হবেন, মাত্র একটা আমলকী খেলেই প্রায় ৬০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে ভিটামিন এ, আয়রন, ফসফরাস, ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো জরুরি সব ভিটামিন ও খনিজ। তাই নিয়মিত আলমকি খেলে বাড়ে ইমিউনিটি, দূরে থাকে একাধিক জটিল অসুখ।
ব্রকোলি- শীত পড়লেই ব্রকোলির দাম কমে। আর এই সুযোগে এই সবজিকে ডায়েটে জায়গা করে দিন। তাতেই শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি অনেকটাই মিটে যাবে। শুধু তাই নয়, এতে মজুত ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজের গুণে জ্বর, সর্দির মতো একাধিক অসুখ দূরে থাকবে।
কিউই- একটা মাঝারি আকারের কিউই-তে মোটামুটি ৭০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন থাকে। এছাড়াও আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ক্যালসিয়াম সহ একাধিক জরুরি খনিজ এবং ভিটামিনের ভান্ডার এই ফল। নিয়মিত কিউই খেলে বাড়বে ইমিউনিটি।
কেলে শাক-কেলে শাকে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, আয়রন রয়েছে। যার ফলে এই শাক নিয়মিত খেলে দেহে পুষ্টির ঘাটতি মিটে যায়। শুধু তাই নয়, এই শাক ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। ফলে এটি ইমিউনিটি বাড়াতে পারে। যার ফলে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া জাঁকিয়ে বসার সুযোগ পায় না।
