অনেকের কাছে বিশ্বকাপ মানেই ধর্মের মতো আবেগ। কিন্তু আমাদের কাছে তা আরও বড় কিছু। এটা শুধু ম্যাচ দেখার বিষয় নয়, এটা একসঙ্গে বসা, চিৎকার করা, তর্ক করা, আর সেই সঙ্গে টেবিলে সাজানো খাবার ভাগ করে নেওয়ার গল্প। কারণ শেষ পর্যন্ত, মানুষকে একসঙ্গে আনে খাবারই। আর এবারেরটি-২০ বিশ্বকাপ-ও তার ব্যতিক্রম নয়।  

ইডেন গার্ডেন্সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে মুখোমুখি ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-২০ বিশ্বকাপের কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। সুপার এইটের ম্যাচ হলেও গুরুত্বের নিরিখে ম্যাচটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিজয়ী দল সরাসরি সেমিফাইনালে চলে যাবে। বিদায় নেবে পরাজিত দল। সমসংখ্যক ম্যাচে দু'দলের পয়েন্ট দুই।  ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে রান তাড়া শুরু করে দিল টিম ইন্ডিয়া।  ভারতের ম্যাচ মানেই আবেগের রোলারকোস্টার। এক বলেই আনন্দ, পরের বলেই উৎকণ্ঠা। আর এই আবেগের মাঝেই স্ন্যাকস হয়ে ওঠে ম্যাচ দেখার অপরিহার্য অংশ। তবে চিন্তা নেই। স্বাদ আর স্বাস্থ্য, দুটোই বজায় রেখে কীভাবে ম্যাচ উপভোগ করা যায়, তারই সহজ গাইড রইল এখানে।

 

ক্লাসিক ও মশলাদার স্ন্যাকস 

মশলা বাদাম: মুচমুচে, ঝাল আর একবার শুরু করলে থামা কঠিন -এক কথায় ক্রিকেট দেখার পারফেক্ট সঙ্গী।

শিঙ্গাড়া:  ক্রিকেট ম্যাচ আর শিঙ্গাড়া -এই জুটি যেন বহুদিনের। পেট ভরায়, মনও ভরায়।

পকোড়া: পেঁয়াজ, ভুট্টা বা ডিমের পকোড়া, সঙ্গে পুদিনা চাটনি। বিশেষ করে বৃষ্টি-বিরতির সময়ের সেরা সঙ্গী। আহা! 

চিকেন কাবাব: নন-ভেজপ্রেমীদের জন্য ঝাল, সুস্বাদু আর ম্যাচের উত্তেজনার মতোই তীব্র।

 
দ্রুত ও সহজ স্ন্যাকস

চিলি চিজ টোস্ট: যেমন দ্রুত বানানো যায় তেমন খেতেও দারুণ। মাঝের ওভারগুলোর জন্য একেবারে আদর্শ।

পিৎজা: বন্ধুদের সঙ্গে ম্যাচ দেখলে টেনশন আর খাই-খাইয়ের সহজ সমাধান। অর্ডার করো বা ঘরেই বেক করো।

দইপুরি: টক-মিষ্টি স্বাদ, উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে পেট ও মনের ঠান্ডা একটা বিরতি এনে দেয়।


আবার কেউ যদি খুব স্বাস্থ্য সচেতন হন, এক্ষেত্রেও তাঁর জন্য রইল সুস্বাদু হেলদি স্ন্যাকসের হদিস -

রোস্টেড মাখানা : হালকা, মুচমুচে অথচ পুষ্টিকর—দীর্ঘ ম্যাচে অপরাধবোধ ছাড়া খাওয়া যায়।

এয়ার-ফ্রাইড স্ন্যাকস: এয়ার-ফ্রাইড আলু টিক্কি, নাগেটস বা পটেটো বাইটস—কম তেলে, বেশি স্বাদে। :

ফল বা সবজি স্টিকস: চাটমশলা দেওয়া শসা, বা হাং কার্ড ডিপের সঙ্গে গাজর -হালকা অথচ সতেজ।

ভুলে চলবে না ম্যাচ-ডে ড্রিংকসের কথাও। 

চা অথবা ফিল্টার কফি : সন্ধ্যার ম্যাচে মন আর শরীর দুটোই চাঙা রাখে।

ঘোল বা লেবুর শরবত: শরীর হাইড্রেটেড রাখে, বিশেষ করে টানটান ম্যাচে।

পরিবার বা বন্ধু—যার সঙ্গেই দেখুন আজকের ম্যাচ, এই স্ন্যাকসগুলো নিশ্চিত করবে প্রতিটি বাউন্ডারি অথবা উইকেট পড়ে যাওয়ার সঙ্গে আপনার শক্তি যেন কমে না যায়। ক্রিকেট তখন আর শুধু খেলা থাকে না, একটা পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

 

 

&t=3s