আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া দেখে ওজন কমানোর জন্য অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাচ্ছেন? চুলের চকচকে ভাব ফেরাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার মাখছেন? এর উপকারিতা জানেন?
ফার্মেন্টেড আপেলের রস হল অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার। থেরাপিস্টের মতে, সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে এবং শরীর ভাল রাখতে এর একাধিক গুণাবলী রয়েছে। প্রতিদিন এক আউন্স অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খেলে আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। বশে থাকবে বিএমআই। ঈষৎ উষ্ণ গরম জলে এক চামচ ভিনিগার মিশিয়ে খান সকাল বেলা। বাড়তি মেদ কমবে ম্যাজিকের মত। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত এই ভিনিগার খেলে টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের জন্যও এটি ভাল। তবে কয়েকটি গবেষণা দাবি করেছে, নার্ভের উপরে প্রভাব ফেলে এই ভিনিগার। সেক্ষেত্রে ডায়েটে এই ভিনিগার অন্তর্ভুক্ত করার আগে ডাক্তারি পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় এই ভিনিগার দারুণ উপকারী। ১০০ মিলি জলে এক চামচ ভিনিগার মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পর চুলে লাগান। ফিরবে জেল্লা। অল্প গোলাপজলের সঙ্গে এই ভিনিগার মিশিয়ে আপনি ত্বকের টোনার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এর ভিটামিন সি ত্বকের জন্য উপকারী।
শুধু তাই নয়, অবসাদ কাটাতেও এর গুণ অনেক। নানা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সহজ করে। কিডনির যেকোনও সংক্রমণের জন্যও এটি ভাল। এমনকি ত্বকের অ্যালার্জি, কিংবা কাটা-ছেঁড়াতেও জলের সঙ্গে মিশিয়ে এই ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন আপনারা।
ফার্মেন্টেড আপেলের রস হল অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার। থেরাপিস্টের মতে, সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে এবং শরীর ভাল রাখতে এর একাধিক গুণাবলী রয়েছে। প্রতিদিন এক আউন্স অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খেলে আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। বশে থাকবে বিএমআই। ঈষৎ উষ্ণ গরম জলে এক চামচ ভিনিগার মিশিয়ে খান সকাল বেলা। বাড়তি মেদ কমবে ম্যাজিকের মত। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত এই ভিনিগার খেলে টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের জন্যও এটি ভাল। তবে কয়েকটি গবেষণা দাবি করেছে, নার্ভের উপরে প্রভাব ফেলে এই ভিনিগার। সেক্ষেত্রে ডায়েটে এই ভিনিগার অন্তর্ভুক্ত করার আগে ডাক্তারি পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় এই ভিনিগার দারুণ উপকারী। ১০০ মিলি জলে এক চামচ ভিনিগার মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পর চুলে লাগান। ফিরবে জেল্লা। অল্প গোলাপজলের সঙ্গে এই ভিনিগার মিশিয়ে আপনি ত্বকের টোনার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এর ভিটামিন সি ত্বকের জন্য উপকারী।
শুধু তাই নয়, অবসাদ কাটাতেও এর গুণ অনেক। নানা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সহজ করে। কিডনির যেকোনও সংক্রমণের জন্যও এটি ভাল। এমনকি ত্বকের অ্যালার্জি, কিংবা কাটা-ছেঁড়াতেও জলের সঙ্গে মিশিয়ে এই ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন আপনারা।
















