আজকাল ওয়েবডেস্কঃ ভারতীয় রান্নায় বেশিরভাগ খাবারেই আদা ও রসুন বাটা ব্যবহার করা হয়। আমিষ পদের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এই দুই মশলার ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ব্যস্ততার যুগে রোজ আদা-রসুন বাটা বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই আজকাল ঝক্কি এড়াতে বাজার থেকে 'জিঞ্জার গার্লিক পেস্ট' কেনেন অনেকেই। স্বাদে সামান্য হেরফের হলেও রান্নায় খুব একটা সমস্যা হয় না। তবে প্যাকেটের আদা-রসুনের বেশ কিছু জিনিস মেশানো থাকে। যা শরীরের জন্য মোটেও ভাল নয়। যেমন- 

*সাইট্রিক অ্যাসিড: সাইট্রিক অ্যাসিড সুগন্ধ সংরক্ষণ এবং সতেজতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে এটি অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা হজমের সমস্যা তৈরি করে। 

*টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড: পেস্টকে একটি প্রাকৃতিক রঙ দিতে টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত প্লাস্টিক এবং রঙে পাওয়া যায়। টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড অন্ত্রের আস্তরণেরও ক্ষতি করতে পারে।

*জ্যান্থান গাম: এই উপাদানটি পেস্টকে ঘন করতে ব্যবহৃত হয় বেশিরভাগ প্রক্রিয়াজাত খাবারে এটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। কিছু পেস্টে পচা আদা বা রসুন ব্যবহার করা হয় এবং পণ্যটি প্রচুর পরিমাণে বাড়ানোর জন্য চালের আটা বা মসুর ডালের গুঁড়োর মতো স্টার্চও মেশানো হয়।

*কৃত্রিম খাদ্য রং: এই রংগুলি পেস্টকে টাটকা দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এই কৃত্রিম সংযোজন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

পেস্টে ভেজাল কীভাবে চিহ্নিত করবেন

ভেজাল শনাক্ত করার কিছু সেরা এবং সহজ উপায় হল এর রং, গন্ধ এবং গঠন। প্রাকৃতিক আদা রসুনের পেস্ট হালকা বাদামি রঙের এবং পেস্টের গন্ধ তীব্র হয়। যদি আপনার আদা-রসুনের পেস্ট টক, রাসায়নিক গন্ধযুক্ত হয় তাহলে তা ভেজাল হতে পারে।