আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঈর্ষা সাধারণত নিরাপত্তাহীনতার কারণে হয়। ঈর্ষা থেকে তৈরি হতে পারে ভয়, উদ্বেগ ইত্যাদি। ঈর্ষা বিষাক্ত এবং ধ্বংসাত্মকও হতে পারে। তাই হিংসার লক্ষণগুলি চেনা জরুরি। বন্ধু, ভাই-বোন, সহকর্মী। এমনকি নিজের সঙ্গীও ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠতে পারেন। এ প্রবণতা সব সময়ে হয়তো নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আবার অনেক সময় বোঝাই যায় না পরিস্থিতি কখন হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। হিংসা এমন একটি জটিল মানসিক অবস্থা যা বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পেতে পারে। কেউ আপনাকে হিংসা করে কিনা, তা বুঝবেন কী করে?
প্রশংসার অভাব: আপনার কোনও কৃতিত্ব বা সাফল্যে যদি কেউ প্রশংসা না করেন, বা নিতান্ত দায়সারা গোছের উত্তর দেন, তাহলে এমন হতেই পারে যে তিনি মনে মনে আপনাকে হিংসা করেন।
অকারণ সমালোচনা: আপনার কাজের বা ব্যক্তিগত জীবনের খুঁত ধরে সমালোচনা করা, এমনকি যখন তার কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই তখনও প্রকাশ্যে বা গোপনে আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলা বা গুজব ছড়ানো ঈর্ষার লক্ষণ হতে পারে।
অসহযোগিতা: প্রয়োজনে আপনাকে সাহায্য না করা বা আপনার কাজে বাধা দেওয়া, দূরত্ব বজায় রাখা, কম কথা বলা। এগুলিও ঈর্ষার লক্ষণ হতে পারে।
এগুলি ছাড়াও এমন কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যা সরাসরি প্রকাশ পায় না। যেমন ধরুন ঈর্ষান্বিত দৃষ্টি, নেতিবাচক শরীরী ভাষা। আপনার উপস্থিতিতে আচরণে আকস্মিক পরিবর্তন ইত্যাদি।
তবে মনে রাখবেন, এই লক্ষণগুলি কিন্তু হিংসার নিশ্চিত প্রমাণ নয়। তা ছাড়া ঈর্ষা একটি মানবিক আবেগ। তাই কারও মধ্যে এই লক্ষণগুলি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে খারাপ মানুষ মনে করা উচিত নয়। যদি নিশ্চিত হন যে কেউ আপনাকে হিংসা করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার চেষ্টা করুন। শান্তভাবে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করুন এবং তাঁর আচরণের কারণ জানতে চান। পাশাপাশি, নিজের মঙ্গলের জন্য বিষয়টি নিয়ে একটু সতর্ক থাকুন।
