অনেকের বাড়িতেই আলমারি বা ড্রয়ারে পড়ে থাকে পুরনো কয়েন-২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা কিংবা আরও আগেকার সময়ের মুদ্রা। এতদিন যেগুলোকে মূল্যহীন বলে মনে হত, ২০২৬ সালে সেগুলোর কয়েকটি লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করতে পারেন। কারণ এখন দেশে-বিদেশে কয়েন সংগ্রাহকদের চাহিদা অনেক বেড়েছে।
2
9
বিশেষ করে ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা কিংবা ব্রিটিশ আমলের কয়েন যেগুলো বহু বছর আগে প্রচলন থেকে উঠে গেছে। সেগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে সব কয়েনের দাম এক নয়। কয়েনের বয়স, বিরলতা, ছাপার ভুল এবং বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী তার দাম নির্ধারিত হয়।
3
9
কোন কয়েনের দাম বেশি? বিশেষজ্ঞদের দাবি, যেসব কয়েন খুব কম সংখ্যায় তৈরি হয়েছিল, বা যেগুলোর গায়ে সাল বা নকশায় ভুল রয়েছে, সেগুলোর বাজারদর অনেক বেশি।
4
9
আবার ১৯৪৭-এর আগের ভারতীয় কয়েন, রানী ভিক্টোরিয়ার সময়কার মুদ্রা কিংবা বিশেষ উপলক্ষে তৈরি স্মারক কয়েন সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
5
9
বিক্রির আগে কী জানা জরুরি? কয়েন বিক্রি করার আগে প্রথমে সেটি ভাল করে পরীক্ষা করা জরুরি। কয়েনের সাল, ধাতু, ওজন এবং নকশা খেয়াল করতে হবে।
6
9
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজে থেকে কয়েন পরিষ্কার করা ঠিক নয়। এতে কয়েনের আসল রং ও গঠন নষ্ট হয়ে দাম কমে যেতে পারে।
7
9
কোথায় বিক্রি করবেন? ২০২৬ সালে ঘরে বসেই পুরনো কয়েন বিক্রির একাধিক নিরাপদ উপায় রয়েছে। অনলাইন মার্কেটপ্লেস, কয়েন সংগ্রাহকদের বিশেষ প্ল্যাটফর্ম বা নিলামভিত্তিক সাইটে কয়েনের ছবি ও বিবরণ দিয়ে বিক্রি করা যায়। অনেক ক্ষেত্রেই নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দর পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
8
9
তবে এই সুযোগের সঙ্গে প্রতারণার ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের স্পষ্ট সতর্কবার্তা, আরবিআই বা সরকারি সংস্থা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরাসরি পুরনো কয়েন কেনে না। কেউ যদি আগে টাকা চায় বা সরকারি নাম ব্যবহার করে প্রলোভন দেখায়, তাহলে সাবধান হওয়া জরুরি।
9
9
ঘরে পড়ে থাকা পুরোনো কয়েন এখন আর ফেলনা নয়। সঠিক তথ্য, যাচাই করা প্ল্যাটফর্ম এবং ধৈর্য সহকারে ২০২৬ সালে এই কয়েনই হয়ে উঠতে পারে অপ্রত্যাশিত আয়ের বড় সুযোগ।