অনেক ভারতীয় বাড়িতে পাখিদের খাওয়ানোর রীতি আছে৷ কিন্তু আপনি কি জানেন চড়ুই পাখিদের খাওয়ালে কী হয়? হিন্দু পুরাণ এবং বৈদিক জ্যোতিষ মতে, চড়াই পাখিদের খাওয়ানে জীবনে উন্নতি হয়। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি হয়৷ কসমিক এনার্জি জীবনকে ঘিরে থাকে৷
জ্যোতিষ মতে, চড়াই পাখি বুধ এবং চন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত৷ এই বিশেষ সম্পর্কের কারণে চড়াই পাখিকে সেবা করলে পূর্বজন্মের কৃতকর্মের খারাপ ফলের প্রভাব কমে যায়৷ জীবনে মানসিক এবং বৌদ্ধিক বিকাশ হয় সেই সঙ্গে চন্দ্রের কারণে আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে৷
পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল এই জন্মে পেতে হয়। এই কথাটা আমরা কমবেশি শুনেছি৷ কিন্তু এই কর্মফল আসলে কী?
কোনও কোনও ব্যক্তি জীবনে অনেক কম প্রয়াসে অনেক বড় কিছু অর্জন করেন৷ বলা হয় পূর্বজন্মের শুভকর্মের ফলের কারণে এই সৌভাগ্য তাঁদের সঙ্গে আছে৷ একইভাবে যাদের জীবন অতিরিক্ত কষ্টকর তাদের ক্ষেত্রে মনে করা হয় পূর্বকৃত নেতিবাচক প্রভাব এই জীবনে বর্তমান৷ মনে করা হয় জীবন থেকে এই নেতিবাচক প্রভাব দূর করা যায় কিছু উপায় পালনের মাধ্যমে৷ যার মধ্যে অন্যতম হল চড়াই পাখিকে খাওয়ানো
বৌদ্ধিক ক্ষেত্রে বুধের ভূমিকা
জ্যোতিষ মতে, বুধ হল বুদ্ধি এবং বাক্ শক্তির কারক গ্রহ৷ জন্মকুন্ডলীতে বুধ খারাপ অবস্থায় থাকলে চড়াই পাখিকে খাওয়ালে বুধের খারাপ প্রভাব কমে যায়। বুধ খারাপ থাকলে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা, কথা বলতে না পারা, তোতলামির মতো সমস্যা হয়৷
মানসিক শান্তির ক্ষেত্রে চন্দ্রের ভূমিকা
মানসিক শান্তি বজায় রাখতে চন্দ্রের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে৷ চড়াই পাখি মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে তোলে৷ প্রতিদিন চড়াই পাখিকে খাওয়ালে চন্দ্রের কুপ্রভাব দূর হয়৷ এমনকি অনিদ্রা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা কমে যায়৷
কর্মশুদ্ধি
মনে করা হয় প্রতিদিন চড়াই পাখিদের খাওয়ালে, এই জীবসেবার জন্য জীবনে পূর্বজন্মের কৃতকর্মের জন্য যা নেতিবাচক ফল এই জন্মে পাওয়ার কথা, সেই কুপ্রভাব অনেকাংশে কমে যায়৷ কারণ চড়াইকে পিতৃপুরুষের বার্তাবাহক মনে করা হয়৷ চড়াই পাখিদের খাওয়ালে পিতৃদোষ কেটে যায়৷ সেইসঙ্গে পৈতৃক সম্পত্তি প্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি পায়৷
