আজকাল ওয়েবডেস্ক: নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার বা এনপিডি এমন একটি মানসিক অবস্থা, যেখানে মানুষের নিজস্ব গুরুত্ব সম্পর্কে অত্যন্ত উচ্চ ধারণা থাকে। এই ধরনের মানুষরা সাধারণত অন্যদের প্রতি সহানুভূতি এবং সমবেদনা অনুভব করেন না। এবং বিশ্বাস করেন তাঁরাই সেরা। এঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেন না। এবং বিশ্বাস করেন, অন্যরা তাঁকে জবাবদিহি করবেন। থেরাপিস্টের দাবি, প্রায়শই এনপিডি থাকা মানুষ অন্যদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ম্যানিপুলেশনের কৌশল ব্যবহার করে থাকেন। যাতে তাঁরা নিজেদের মতো করে কাজটি করতে পারেন। মাঝে মাঝে বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাঁরা অন্যের কথা মন দিয়ে শোনেন বা মানেন। এরকম ব্যক্তিত্বদের আচরণ কেমন হয়? কোন কোন উপায়ে ম্যানিপুলেশন করেন তাঁরা?
গ্যাসলাইটিং:
এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ম্যানিপুলেশন কৌশল। এইভাবেই অন্য ব্যক্তির বাস্তবতাকে খারিজ করার চেষ্টা করেন নার্সিসিস্টরা। যাতে উল্টোদিকের মানুষ অসহায় বোধ করেন। তাঁরা অন্যদের চিন্তাভাবনা এবং বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
প্রেমের ফাঁদ :
সাধারণত একজন ব্যক্তিকে প্রথমেই প্রচুর ভালবাসা, মনোযোগ, স্নেহ এবং উপহার দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নার্সিসিস্টরা। তাঁদের উদ্দেশ্য হল মানুষকে সম্পূর্ণরূপে মানসিকভাবে নির্ভরশীল করে তোলা যাতে পরবর্তীতে তাঁদের আবেগকে কাজে লাগানো যায়।
ঘোস্টিং:
এই কৌশলটিতে একজন নার্সিসিস্ট কোনও ধরণের ব্যাখ্যা না দিয়েই অন্য ব্যক্তির সঙ্গে সমস্ত রকম যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে পারেন। শেষ কথা বলতে এবং দ্বন্দ্ব এড়াতে এটি একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।
ত্রিমুখীকরণ :
একজন ব্যক্তিকে ছোট করার জন্য অনেক সময়েই তৃতীয় পক্ষকে জড়িয়ে নেন নার্সিসিস্টরা। অন্যদের মনোযোগ আকর্ষণ করে সকলের কাছে ভাল থাকেন।
কথায় ভোলানো:
 সমালোচনার জন্য খুব জোরালো প্রতিক্রিয়া জানান এই ধরনের ব্যক্তিরা। তাঁদের খারাপ পরিস্থিতির জন্য সবসময়ে অন্যদের দায়ী করেন নার্সিসিস্টরা।