কোনও শুভ দিন আসার আগে সেই দিনকে কেন্দ্র করে যেমন পরিকল্পনা থাকে তেমনি, শুভ কাজ করার আগেও সব যেন ভাল হয় এই কথাও মন বলতে থাকে৷ কিন্তু যদি শুভ কাজের ঠিক আগের দিন পোষ্য হঠাৎ করেই মারা যায়, তখন মনখারাপের সঙ্গে মনের মধ্যে ভয়ও দেখা দিতে পারে৷ এই ঘটনা কি অশুভ কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে? 


হিন্দুশাস্ত্র মতে, শুভ কাজের আগে পোষ্য মারা যাওয়া অশুভ লক্ষণ নয়৷  বরং পোষ্যের মৃত্যুতে আপনার জীবনের কোনো বড় বিপদ কেটে গেল৷ কোনও অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হল আপনার জীবন৷ 

 এই ঘটনা নির্দেশ করে যে পোষ্যটি আপনার পরিবারের কোনো বড় বিপদ বা নেতিবাচক প্রভাব নিজের মধ্যে ধারণ করেছিল৷ এবং আসন্ন অশুভ ঘটনাকে প্রতিরোধ করল নিজের প্রাণের বিনিময়ে৷ 

আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকেও মনে করা হয় পোষ্যের আত্মা মুক্তি পেল৷ আত্মা অবিনশ্বর৷ তাই তার রূপবদল হয় মাত্রা৷ ঠিক যেভাবে আমরা পুরনো জামা ছেড়ে নতুন জামা পরি, তেমন ভাবেই আত্মা এক দেহ ত্যাগ করে অন্য দেহে আশ্রয় নেয়৷  পোষ্যটি তার জাগতিক মায়াবন্ধন কাটিয়ে নতুন কোনো যাত্রায় এগিয়ে গেছে।

আধ্যাত্মিক মতে, পোষ্যের মৃত্যুতে মানসিক কষ্ট থাকলেও সেই কষ্টের কারণে তাকে মায়ায় জড়িয়ে রাখা ঠিক নয়৷ ঈশ্বরের নাম নিয়ে পোষ্যটিকে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে সৎকার করে তাঁর আত্মার সদ্গতির জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করাই মঙ্গল৷