আজকাল ওয়েব ডেস্ক: পেটে ক্রনিক ব্যথা, গলস্টোনের প্রাথমিক উপসর্গ। উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে এই রোগের প্রকোপ অনেক বেশি। ভৌগোলিক কারণ এবং খাদ্যাভ্যাস এই রোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দুটো বিষয়। গলস্টোন থেকে বাড়ে গলব্লাডারের ক্যান্সারের ঝুঁকি, এই ধারণা প্রচলিত। এই নিয়ে কী বলছেন চিকিৎসক?
গলব্লাডারের ক্যান্সারের ডায়াগনোসিসের সময় গলস্টোন ধরা পড়ে। প্রায় ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়ায় গলস্টোন। গলব্লাডার ক্যান্সারের প্যাথোজেনেসিস বেশ কয়েকটি জিনিসের উপর নির্ভরশীল। যেমন বয়স, জেন্ডার, ইকোনমিক স্ট্যাটাস এবং কোমরবিটিস। দেখা গিয়েছে মধ্যবয়সী মহিলাদের মধ্যে স্হূলতা এবং ফার্টিলিটির সমস্যা থাকে। স্থান বিশেষেও গলস্টোনের পার্থক্য থাকে। উত্তর ভারতের দিকে কোলেস্টেরল মিক্সড স্টোনস এর প্রাদুর্ভাব বেশি। দক্ষিণ ভারতের দিকে আবার পিগমেন্ট স্টোন খুব সাধারণ।
 
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কি গলব্লাডার সার্জারি করা উচিত?
ব্যক্তি ও রোগ বিশেষে চিকিৎসককে পরামর্শ নিতে হয় এ বিষয়ে। কারন সব গোল স্টোন থেকে ক্যান্সার হয় না। রোগীর উপসর্গ, রোগের ইতিহাস এবং সার্বিক সুস্থতা, এ কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর দিতে হয়। নিয়মিত স্ক্রিনিং এক্ষেত্রে খুব উপকারী। রোগীর পরিবারে যদি কারও গল ব্লাডার ক্যান্সার অথবা বায়লারি ট্র্যাক্ট ম্যালিগন্যান্সির ইতিহাস থাকে তবে ঝুঁকি বাড়তে পারে। খিদে কমে যাওয়া সব সময় পেট ভর্তি থাকার অনুভূতি, অস্বাভাবিক পেটে যন্ত্রণা হলে সাবধান হতে হবে। অধিকাংশ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে কিন্তু মারাত্মক কোনও উপসর্গ থাকে না। হঠাৎ করে ওজন কমে গেলে সাবধান হতে হবে। এছাড়া ঘনঘন জন্ডিসে ভুগলে, ত্বক হলুদ বর্ণ হলে, পেটের ওপর অংশ ভারি হলে সতর্ক হতে হবে।