কলকাতার বাইপাসের বুকে খুলতে চলেছে এক নতুন দিগন্ত। পার্ক হোটেল ও অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে শীঘ্রই হাজির হচ্ছে ‘দ্য পার্ক ইউনিজেন’। শহরবাসীর জীবনযাত্রা বদলে দিতে পারে অত্যাধুনিক এই প্রজেক্টটি।
একই প্রেমিসেসে একদিকে বিলাসবহুল আবাসন আর অন্যদিকে পাঁচতারা হোটেল। এমন অভিনব মিশেল হবে শহর কলকাতায়। ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। প্রায় ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি শুরু করেছে পার্ক হোটেলের মূল সংস্থা এপিজে সুরেন্দ্র পার্ট হোটেল লিমিটেড এবং অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী। যা আগামী চার বছরের মধ্যে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে আসবে বলে দাবি উভয় পক্ষের।
ইতিমধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। তিনি বলেন, “কুড়ি তলা এই আবাসনে থাকবে দু’টি টাওয়ার, সমস্ত বিলাসবহুল ব্যবস্থার সুযোগ-সুবিধা। প্রথম টাওয়ারের ৩৫টি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যে ইতিমধ্যেই ২৫টি অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি হয়ে গিয়েছে।”
প্রকল্পের মোট খরচের মধ্যে হোটেল তৈরির ৫৫ শতাংশ ব্যয়ভার এপিজে সুরেন্দ্র গোষ্ঠী বহন করবে। বাকি ৪৫ শতাংশ খরচ সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট তৈরির কাজে ব্যয় করবে নেওটিয়া গোষ্ঠী। এপ্রসঙ্গে এপিজে পার্ক হোটেল লিমিটেডের চেয়ারপার্সন প্রিয়া পাল জানিয়েছেন, কলকাতায় এই প্রথম বিলাসবহুল আবাসন ও হোটেল একসঙ্গে হতে চলেছে। আবাসনে ৬৯টি অ্যাপার্টমেন্ট, পাঁচতারা হোটেলে থাকবে ২১৮টি রুম।
কলকাতার ইএম বাইপাস এখন উন্নয়নের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। আর উন্নয়নের এই সরণিতেই আথিথেয়তা এূবং আধুনিক জীবনযাত্রার অভিনব মেলবন্ধন ঘটাতে চলেছে ‘দ্য পার্ক ইউনিজেন’। ঠিক কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল? হর্ষবর্ধন নেওটিয়ার কথায়, “আমরা খুবই খুশি যে এপিজে গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে পেরেছি। হোটেল এবং সঙ্গে সর্ভিস অ্যাপার্টমেন্টের এমন ব্যবস্থা অন্য শহরে থাকলেও কলকাতায় প্রথমবার হচ্ছে। জমি পার্ক হোটেলের। দু’তরফের ডিজাইনে হবে গোটা প্রজেক্টটি। আধুনিক আবাসনের সবরকম সুযোগ সুবিধা থাকবে।”
