আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুলডোজারের মুখে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। বলেছিলেন, হকার উচ্ছেদের আগে, কমার্শিয়াল প্লট, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক হকারদের। বিক্ষোভের মাঝ থেকেই, মধ্যরাতে সৃজন-সহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। পুলিশের ভ্যানে উঠেও, সৃজন বলেছিলেন, 'আমরা আছি...।' সোমবার দুপুরে, জামিনে মুক্ত হলেন বাম নেতা। সৃজন-সহ পাঁচজনেই জামিনে মুক্ত হয়েছেন।
আশঙ্কা ছিল। সেই আশঙ্কায়, বুলডোজারের উপস্থিতি দেখেই, রবিবার রাতেই যাদবপুরে জমায়েত শুরু করেন বাম-কংগ্রেস নেতারা। যদিও তাতেও মধ্যরাতের বুলডোজার অ্যাকশন আটকানো যায়নি। পুলিশি লাঠিচার্জে ভাঙে প্রতিরোধ, বুলডোজার ভাঙে দোকান। যেসমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, একে একে ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়। রাতের অন্ধকারে, রণক্ষেত্র হয় যাদবপুর।
যাদবপুরের ঘটনার পর, সমবার মীনাক্ষী মুখার্জি, আজকাল ডট ইন-কে জানান, 'আমরা জানি যে, যারা করছে এসব, তারা সরকারে। সরকারের কাজ শুধুমাত্র রুজি রুজি কেড়ে নেওয়া নয়। যদি সরকার বেআইনি হকার উচ্ছেদ করছে, তাহলে হকাররা সৎ পথে যে রোজগার করছে সেই রোজগারের ব্যবস্থাটাও করতে হবে। আমরা তো বাড়তি কিছু বলিনি। আমাদের দাবি কেবলমাত্র এটুকুই।'
তাঁর সংযোজন, ' 'যাঁরা রোজগার করতে চান সৎপথে, তাঁদের ব্যবস্থাটা করুন। তারপরে তুলে দিন। এত সহজ কথা। এত সুস্থ সমাধানের পথ রয়েছে। সেই সুস্থ সমাধানের পথ না গিয়ে মারধর, ভাঙচুর, মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আসলে এগুলো করতে চায়, কারণ, সরকার নিজের ভয়ঙ্কর রূপটা দেখাতে চায়।' এদিন পথে নামার ডাকও দিয়েছে বামেরা।















