দীক্ষা ভূঁইয়া: শুক্রবার সাংবাদিকদের হেনস্থার প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে আম্বেদকরের মূর্তির সামনে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি বিধায়করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডোমকলের একমাত্র সিপিএম বিধায়ক মোস্তফিজুর রহমান (রানা)-ও। তবে তাঁর জামায় কোনও কালো ব্যাজ ছিল না। বিষয়টি নজরে পড়তেই বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী নিজের কালো ব্যাজ খুলে মোস্তফিজুর রহমানের জামায় পরিয়ে দেন। ব্যাজ পরিয়ে তিনি বলেন, “যখন প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন, তখন কালো ব্যাজও পরুন।”
কলকাতায় সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হেনস্থার ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বিধানসভা চত্বরে আম্বেদকরের মূর্তির সামনে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি বিধায়করা। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তাঁরা কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ জানান।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডোমকলের একমাত্র সিপিএম বিধায়ক মোস্তফিজুর রহমান (রানা)-ও। তবে তাঁর জামায় কোনও কালো ব্যাজ ছিল না। বিষয়টি নজরে পড়তেই বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী এগিয়ে যান। নিজের জামায় লাগানো কালো ব্যাজ খুলে তিনি মোস্তফিজুর রহমানের জামায় পরিয়ে দেন।
ব্যাজ পরিয়ে কৌস্তভ বাগচী বলেন, “যখন প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন, তখন কালো ব্যাজও পরুন।” এরপর মোস্তফিজুর রহমান কালো ব্যাজ পরতে নিমরাজি হলেও আপত্তি করতে পারেননি এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। যদিও তাকে বলতে শোনা যায় যারা বিশৃঙ্খলা করেছে তারা তাদের দলের লোক না বরং বাইরে থেকে আগত।
বিধানসভা চত্বরে এই ঘটনাকে ঘিরে কিছুক্ষণের জন্য এক ভিন্ন রাজনৈতিক ছবি ধরা পড়ে। রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্ন মেরুর দুই বিধায়ক সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে একই মঞ্চে দাঁড়ান। কৌস্তভ বাগচীর এই পদক্ষেপ উপস্থিত বিধায়ক ও সাংবাদিকদেরও নজর কাড়ে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ছাত্র আন্দোলনের কভারেজ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক হেনস্থা ও আক্রান্ত হন। সেই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বিধানসভা চত্বরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানান। এই আবহেই কৌস্তভ বাগচীর নিজের কালো ব্যাজ খুলে সিপিএম বিধায়কের জামায় পরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দিনের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে।
















