রিয়া পাত্র: একুশে জুলাই। কালীঘাট তৃণমূল আর ঋতব্রত তৃণমূল, শক্তি প্রদর্শনের উপায় দুই তৃণমূলেরই। 'হেভিওয়েট' নেতাদের ভিড় কোথায় হবে বেশি? কোন মঞ্চের সমানে দাঁড়াবেন কর্মী সমর্থকরা? জেলা থেকে যাঁরা আসবেন তাঁরা কি গুলিয়ে ফেলবেন দুই মঞ্চের মাঝের ব্যবধান? ঋতব্রত তৃণমূলের মঞ্চের সামনে দাঁড়ানো কর্মী-সমর্থকরা শুনতে চাইবেন না আর 'প্রধানবক্তা মমতা ব্যানার্জি'র কথা। এসবের মাঝেই প্রশ্ন, সেসব নেতা-নেত্রীরা কে কোনদিকে যাচ্ছেন? যাঁরা প্রকাশ্যে আসেননি এখনও শিবির বিভাজনের ট্রেন্ডে? এই খোঁজ নিতেই আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল বিধানসভা ভোটে মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী, সাধন-কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডের সঙ্গে।
শ্রেয়ার বাবা, সাধন পাণ্ডে তৃণমূলের প্রতীকে বহুবার জিতেছেন, জিতেছেন মা সুপ্তি পাণ্ডেও। অন্যদিকে গত কয়েকবছরে মানকতলা এলাকা থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকেদের ধর্মতলায় নিয়ে গিয়েছেন শ্রেয়া নিজে। এবার? এবার কোন মঞ্চে দেখা যাবে তাঁকে? বলছেন, 'যে মঞ্চে আগে গিয়েছি, এতবার গিয়েছি যেখানে, সেখানেই যাব।'
ভোটে হারের পরের কিছু সময়, শ্রেয়াকে সেভাবে দেখা যায়নি প্রকাশ্যে। কারণ কী? শ্রেয়া বলছেন, তিনি সামনে আসেননি, তেমনটা নয়। তিনি এই সময়কালে বহু কর্মীর জামিন করিয়েছেন। কর্মীদের পাশে বিপদে আপদে থেকেছেন। কিন্তু নিজেকে নিয়ে 'প্রচার চাননি।'
তবে দলের এই পরিস্থিতিতে, শ্রেয়ার বক্তব্য কী? কীভাবে দলের কাজ করছেন? করবেন? এই ছন্নছাড়া দশা কীভাবে গোছাবেন সাধন-কন্যা? সাফ জবাব, 'আমি ভোটে হারের পরে, কালীঘাটে গিয়ে জনসমক্ষে বলে এসেছি, আমাকে দায়িত্ব দিন। শীর্ষ নেতৃত্বকে বলেছি সরাসরি দায়িত্ব দিতে। আমি ভায়া হয়ে কাজ করতে রাজি নই। সরাসরি বললে, আমি একশ শতাংশ পালন করতে রাজি। ভায়া ভায়া কাজ করে, দলের ক্ষতিই হয়েছে।'
















