আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। কলেজের প্রথম বর্ষের এক মেডিকেল পড়ুয়া ছাত্রের অভিযোগের তির কয়েক জন সিনিয়র ইন্টার্ন এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের চিকিৎসক পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। গত ১ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনাটি ঘটেথে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই পড়ুয়া কলেজের অ্যান্টি-র‍্যাগিং কমিটির কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে র‍্যাগিং রুখতে আগেই একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজেও বারবার র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা ঘোষণা করেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন করে এই অভিযোগ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। পুরো বিষয়টি কলেজের অ্যান্টি-র‍্যাগিং কমিটিই খতিয়ে দেখছে। তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত। আদৌ এটি র‍্যাগিং কি না এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা।

এই প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মেডিকেল কলেজে র‍্যাগিংয়ের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মতবিরোধ বা সামান্য অশান্তি হতেই পারে, কিন্তু সেটিকে সরাসরি র‍্যাগিং বলা যায় না।

অন্যদিকে, হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর সময় বা তারপর হোস্টেলে আবাসিক ডাক্তারি পড়ুয়াদের মধ্যে কিছু মতানৈক্য ও গণ্ডগোল হয়েছিল। তবে সেই ঘটনাকে র‍্যাগিং হিসেবে চিহ্নিত করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ১ ফেব্রুয়ারি বা তার আশপাশে কলকাতা মেডিকেল কলেজে র‍্যাগিংয়ের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগও জমা পড়েনি। তবে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা মেডিকেল কলেজের প্রশাসন।