আজকাল ওয়েবডেস্ক: কখনও নির্বাচনী কর্মসূচি, কখনও অসুস্থতা। একাধিকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাজিরা এড়িয়েছেন নানা কারণ দেখিয়ে। শুক্রবার ইডি দপ্তরে হাজিরা দেন, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

 

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার  তলব করা হয় তৃণমূল নেতাকে। তবে বারেবারেই তলব এড়িয়েছেন তিনি। শেষ তলবে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়েছিলেন। তারপরেই শুক্রবার হাজিরা দেন তিনি।

শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ইডি দপ্তরে হাজিরা দেন তিনি। এদিন ইডির দপ্তরে হাজিরা দিয়ে রথীন জানান, 'আমাকে কেন ডেকেছে জানি না। ভিতরে গেলে জানতে পারব।' ভোটের আগেই ৮ এপ্রিল রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকেও পুর নিয়োগ মামলায় তলব করা হয়েছিল।

এর  আগে, ১১ মে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১০টায় সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু এবং আইনজীবী। সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরা করার পরে গ্রেপ্তার হয়েছে সুজিতকে। ইডি সূত্রে খবর, বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি এবং অসহযোগিতা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।

এর আগে একই মামলায় কোর্টের নির্দেশে ১ মে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। প্রায় ৯ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তাঁকে। ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে সুজিত দাবি করেছিলেন, যেই মামলায় ইডি তাঁকে ডেকেছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট পেশ করে দিয়েছে। সেই চার্জশিটে তাঁর নাম নেই। সুজিতের বয়ান খতিয়ে দেখে ফের তাঁকে তলব করে ইডি। সোমবার সকালে ইডি দপ্তরে আসেন প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই তাঁক জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।