‌‌তীর্থঙ্কর দাস:‌ ২২ বছর অতিক্রান্ত করে ফেলতে চলেছে কেষ্টপুরের হালদার বাড়ির তারা মায়ের পুজো। তারাপীঠ এর তারা মায়ের আদলে গঠিত স্বর্ণোজ্বল রৌপ্য মূর্তির আগের রূপ ছিল মৃন্ময়ী। তারাপীঠ থেকে মাটির মূর্তি এনেই পুজোর সূত্রপাত হয়েছিল ভারতী হালদারের হাত ধরে। তারপর থেকে প্রত্যেক বছর কালীপুজোর দিন অমাবস্যা তিথি মেনেই তারা মায়ের পুজো হয়ে আসছে। ধীরে ধীরে পারিবারিক গন্ডি অতিক্রম করে তা এখন বহুল প্রচলিত। মায়ের অঞ্জলী দিতে দূর থেকে আসেন ভক্তরা। পুজোর পুরোভাগের দায়িত্ব এখুনও সামলান ভারতী দেবী। অতিথি আপ্যায়ন থেকে মায়ের ভোগ রান্না–পুরোটাই প্রায় একা হাতে সামাল দেন। মায়ের ভোগে থাকে পাঁচরকম ভাজা, লুচি, খিচুড়ি, আলুরদম, পোলাও, চাটনী, পায়েস।