আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের সাতসকালে ইডি তল্লাশি। সোনা পাপ্পু জমি জালিয়াতি মামলায় ইডির তল্লাশি অভিযান। ৭-৮ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।
সকাল ৬ টা নাগাদ ইডির তদন্তকারী আধিকারিকেরা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি অভিযানে নামে। পার্কস্ট্রিটের একটি হোটেল, ভবানীপুর চক্রবেড়িয়া বকুলবাগানের অতুল কাটারিয়া নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। এছাড়াও বালিগঞ্জ-সহ ৭-৮ জায়গায় তল্লাশি ইডির, সূত্রের তথ্য তেমনটাই।
জমি জালিয়াতি মামলায় ১৮ মে গ্রেপ্তার সোনা পাপ্পু। সোনা পাপ্পুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য পায়, এমনটাই ইডি সূত্রে খবর। একাধিক সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার জন্য টাকা খাটানো হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। অন্যদিকে সেই সমস্ত টাকা একাধিক প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল বলেও খবর। সেই সমস্ত প্রভাবশালীদের মাধ্যমে একাধিক সংস্থায় সেই টাকা খাটানো হয়েছিল। সেই তথ্য পাওয়ার পরেই, শুক্র সকালে, একযোগে তল্লাশি ইডি' র।
জমি জালিয়াতি মামলায় ইডি'র হাতে ১৮ মে গ্রেপ্তার সোনা পাপ্পু। সোমবার সকালে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। প্রায় ১০ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোমবার রাতেই ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা না করা।
প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে ফেরার ছিলেন সোনা পাপ্পু। তাঁর বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতি, তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সোমবার সকালে হঠাৎই ইডি দপ্তরে হাজিরা দেন তিনি। এর আগে একাধিকবার তাঁকে খুঁজেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু নাগাল পায়নি কোনওদিনই। এরপর এপ্রিল মাসের শুরুতেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। যদিও শেষ পর্যন্ত সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি ইডি।
সেই বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু সোমবার সকালে সরাসরি ইডি দপ্তরে এসে হাজির হন। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, তিনি বাড়িতেই ছিলেন, তাঁকে দেখা করতে বলা হয়েছিল, তাই তিনি দেখা করতে এসেছেন। সেদিনই ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর, গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে।















