আজকাল ওয়েবডেস্ক: শহরে ফের তল্লাশি অভিযানে ইডি। কয়েক কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযানে তল্লাশি অভিযান। বালিগঞ্জ সহ একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি। বালিগঞ্জের অশ্বিনী দত্ত রোডে অভিযান ইডির। সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে তদন্তি ইডি। নির্মাণ ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত এই সংস্থা। সূত্রের খবর কয়েক কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা অভিযোগে সান এন্টারপ্রাইজ এর অফিসে তল্লাশি অভিযানে কেন্দ্র তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। যদিও ভিতরে এখনও প্রবেশ করতে পারেনি তদন্তকারীরা।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ইডি আধিকারিকরা গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে। বালিগঞ্জ , কসবা সহ ৬ জায়গায় তল্লাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। বালিগঞ্জের সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি ইডির। অভিযোগ সোনা পাপ্পুর বাড়িতে বেশ কিছু জিনিস লুকিয়ে রাখা রয়েছে। তার মাধ্যমে একাধিক প্রভাবশালীর কাছে টাকা পৌঁছে যেত সেই টাকা কোথায় পৌঁছে যেত সেই সমস্ত কিছুর খোঁজেই তল্লাশি ইডির। নির্মাণ ব্যবসায় একাধিক সংস্থা সিন্ডিকেটের মাথার আধিকারিক ছিলেন এই সোনা পাপ্পু বলে দাবি ইডির। মোট ১০জায়গায় তল্লাশি চলছে।
কাকুলিয়া রোডে রাহুল দাসের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযানে ইডি। সোনা পাপ্পুর ব্যবসায়ী পার্টনার এই রাহুল দাস। সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে থানায় থানায় তোলাবাজি থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ হয়। কসবা ঢাকুরিয়া যাদবপুর এলাকায় এই সোনা পাপ্পু তোলাবাজি করত বলে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এই সমস্ত টাকা প্রটেকশন মানি হিসাবে একাধিক প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছে যেত। তারপরেই ইসিআইআর করা হয় ইডির পক্ষ থেকে। কার কার কাছে এই টাকা পৌঁছতো কিভাবে এই টাকা খাটানো হয়েছে। সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখতেই তল্লাশি অভিযান। কসবা বালিগঞ্জ কাকুলিয়া রোড রাহুল দাসের বাড়ির পাশাপাশি নিউ আলিপুরের ব্যবসায়ী জে এস কামদার এর বাড়িতেও তল্লাশি চলছে।















