আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের পর রাজ্যসভায় নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন তিনি প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুখেন্দু শেখর রায়।

এবার তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সল্টলেকের রাজ্য বিজেপি দপ্তরে শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন তিন নেতৃত্ব।

তারপর থেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘শমীক ভট্টাচার্য্য তো এই ব্যাপারে একা সিদ্ধান্ত নেন না। পার্টির কেন্দ্রীয় স্তরেরও মতামত আছে। উনি শুধু নির্দেশ পালন করেছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির গতিবিধির বিপরীতে এটা হয়েছে। সেই জন্যই তাঁকে টার্গেট হতে হয়েছে।’

দিলীপ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে যদি কাজ করতে হয়, তাহলে আমাদের মেজরিটি লাগবে। যারা রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন কেবল সিম্বল পাল্টে আমাদের সিম্বলে থাকবেন। সুখেন্দু বাবু গুণী লোক। সংসদে আমার সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছে। তাঁকে কেউ বদমাশ বলবে না।’

রাজ্যের মন্ত্রীর দাবি, ‘সুখেন্দুই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আমাদের মতো তৃণমূল কংগ্রেসের নীতির বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁকে সাসপেন্ডও হতে হয়েছিল।’

শনিবার রাজ্যে লাক্সের কারখানার উদ্বোধন নিয়ে রাজ্য সরকারের প্রশংসা করেন দিলীপ। বলেন, ‘মানুষ এই পরিবর্তনটাই তো চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা ঠিক থাকবে, শিল্প আসবে। বিজেপির ইমেজ আছে যা ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক। অনেকে আসছেন, কথা বলছেন, শিল্প শুরু করতে চাইছেন। শিল্পের এরকম অনুকূল পরিবেশ গত ৫০ বছরে ছিল না।’