কৌশিক রায়: রাত পোহালেই ইডেনে বিশ্বকাপের সেরা দুই দলের লড়াই। কিন্তু শনিবার ইডেনের বাইরের চিত্র দেখে বোঝার উপায় নেই যে ম্যাচ রবিবার। দুপুরে সাউথ আফ্রিকা টিম ঢোকার সময় সমর্থকদের চিৎকারে নিজেই অবাক দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। পাশাপাশি, পুলিশের কড়াকড়ি সত্বেও এদিনও ইডেন চত্বরে ধরা পড়ল টিকিটের কালোবাজারি। স্টেডিয়ামের সামনে ইতিউতি ঘোরাফেরা করতে দেখা গেল কিছু সমর্থককে। টিকিটের খোঁজেই এসেছেন, এরকম কাউকে দেখলেই পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে মহমেডান মাঠের দিকে। অনলাইন টিকিট রিডিম করার কাউন্টারের বাইরে সমানে চলছে কালোবাজারি। ৯০০ টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৮০০০ টাকায়। ব্ল্যাক হচ্ছে ভিআইপি বক্সের টিকিটও। যার দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সমর্থকরা যেখানে টিকিটের জন্য হাহাকার করেছেন সেখানে অনলাইন টিকিট কাউন্টার খাঁ খাঁ করছে। এত টিকিট যাবে কোথায়? টিকিট নেওয়ার বাহানায় এক ব্ল্যাকারের সঙ্গে কথা বলার অছিলায় জানা গেল, টিকিটের বেশির ভাগ আসছে ভেতর থেকে। নির্ধারিত দামের কিছু বেশি টাকায় তা বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে ব্ল্যাকারদের কাছে। তারা আবার সেই টিকিট দ্বিগুণ, তিনগুণ দামে বিক্রি করছেন। অনলাইন টিকিট কাউন্টারের যে চিত্র ম্যাচের আগের দিন দেখা গেল তা বজায় থাকলে ফাঁকা যাবে অনেক সিট। সেই টিকিট কি আদৌ ফের অনলাইনে ছাড়া হবে নাকি কালোবাজারি হবে? টিকিট বিক্রয় সংস্থার কাছে এই প্রশ্ন করতেই এড়িয়ে গেলেন প্রত্যেকেই।