আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবার কলকাতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি। শনিবার দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে পাশে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, তৃণমূল যেখানে চাইবে সেখানেই তিনি কথা বলতে রাজি।
তাঁর কথায়, ‘ওঁরা বলছেন আমি নাকি পালিয়ে গেছি। তাই আমি পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। আসুন দেখা করুন। ওঁরা যেখানে বলবেন সেখানে গিয়ে দেখা করব। সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে এসেছি।’
রাজ্যের বকেয়া কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে গত ৩ অক্টোবর দিল্লিতে কৃষিভবনে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল যায়। সেই দলে তৃণমূলের নেতা–নেত্রী ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন জবকার্ড হোল্ডার। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কৃষিভবনে থাকলেও শেষপর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের। শেষমেশ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশ দিয়ে কৃষিভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয় পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছেন প্রতিমন্ত্রী।
এদিন নিরঞ্জন জ্যোতি বলেন, ‘আমি আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে বসেছিলাম। কিন্তু ওঁরা সাক্ষাতের নামে বারবার টালবাহানা করেছে। আমি চার নম্বর গেট দিয়ে যাতায়াত করি। সেদিনও সেখান দিয়েই বেরিয়েছি।‘ তাঁর কথায়, ‘তৃণমূল চাইলে আমি গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে গিয়ে দেখা করতেও রাজি আছি। সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে এসেছি।’
তাঁর কথায়, ‘ওঁরা বলছেন আমি নাকি পালিয়ে গেছি। তাই আমি পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। আসুন দেখা করুন। ওঁরা যেখানে বলবেন সেখানে গিয়ে দেখা করব। সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে এসেছি।’
রাজ্যের বকেয়া কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে গত ৩ অক্টোবর দিল্লিতে কৃষিভবনে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল যায়। সেই দলে তৃণমূলের নেতা–নেত্রী ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন জবকার্ড হোল্ডার। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কৃষিভবনে থাকলেও শেষপর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের। শেষমেশ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশ দিয়ে কৃষিভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয় পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছেন প্রতিমন্ত্রী।
এদিন নিরঞ্জন জ্যোতি বলেন, ‘আমি আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে বসেছিলাম। কিন্তু ওঁরা সাক্ষাতের নামে বারবার টালবাহানা করেছে। আমি চার নম্বর গেট দিয়ে যাতায়াত করি। সেদিনও সেখান দিয়েই বেরিয়েছি।‘ তাঁর কথায়, ‘তৃণমূল চাইলে আমি গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে গিয়ে দেখা করতেও রাজি আছি। সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে এসেছি।’
