আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হলে হার নিশ্চিৎ, কিন্তু কতদিন সেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে পাক সেনারা? তা নিয়ে পাক সাংসদরাই বিভ্রান্ত। নিজেদের দেশের সেনাদের ক্ষমতায় কোনও বিশ্বাস নেই আম পাকিস্তানির। সম্প্রতি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য শের আফজাল খান মারওয়াতের ভাইরাল মন্তব্যেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। মারওয়াত দাবি করেছেন, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ইংল্যান্ডে পালিয়ে যাবেন!

ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে কি তিনি বন্দুক হাতে বর্ডারে যাবেন? সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে শের আফজাল খান মারওয়াতের জবাব, 'আমি বাবা ইংল্যান্ড চলে যাব যুদ্ধ শুরু হলে।'

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে, একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ বলেছেন যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ইংল্যান্ডে পালিয়ে যাবেন।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য শের আফজাল খান মারওয়াত একজন প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন, যিনি ভারতের সাথে যুদ্ধ শুরু হলে তিনি কি বন্দুক নিয়ে সীমান্তে যাবেন? মারওয়াত উত্তর দিয়েছিলেন, "ভারতের সাথে যুদ্ধ শুরু হলে আমি ইংল্যান্ড যাব।"

জহ্গিদের কোনও মতেই রেয়াত করা হবে না। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নানা কড়া পদক্ষেপ করেছে নয়াদিল্লি। শত্রুদের শেষ করতে যেকোনও ধরনের পদক্ষেপের ছাড় দিয়েছেন মোদি। ফলে সীমান্তে যুদ্ধের আবহ। সেসবের মধ্যেই পাক জাতীয় পরিষদের সদস্য শের আফজাল খান মারওয়াতের মন্তব্য ইসলামাবাদের অস্বস্তি বাড়িয়েছে। 

তাঁর ইংল্যান্ডে পালানো জবাবের পর সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি উত্তেজনা কমাতে পিছু হটবেন? এহবার মারওয়াত ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, "মোদী কি আবার পিসির ছেলে নাকি যে আমি যা বলব তাই শুনবে?"

 

?ref_src=twsrc%5Etfw">May 4, 2025

শের আফজাল খান মারওয়াতের মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

মারওয়াত আগে কারাবন্দী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর সদস্য ছিলেন। তবে তাঁর নেতৃত্ব বারবার সমালোচিত হওয়ায় ইমরান খান তাঁকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে অপসারণ করেছিলেন।

এদিকে, শনিবার মধ্যরাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। সোমবার বিকেল ৫টায় সে দেশের পার্লামেন্টে জরুরি অধিবেশন ডেকেছেন তিনি। সূত্রের খবর, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চাপানউতোর নিয়েই মূলত আলোচনা হবে অধিবেশনে। ভারতকে পাল্টা কীভাবে জবাব দেওয়া হবে, তার রণকৌশলও ঠিক এই বৈঠকে ঠিক করতে পারে ইসলামাবাদ।