আজকাল ওয়েবডেস্ক: হামলা জারি রয়েছে। গোটা বিশ্ব যুদ্ধ থামার অপেক্ষা করলেও, দিনে দিনে বেড়েই চলেছে উত্তাপ। বাড়ছে গ্যাস থেকে তেলের দাম-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে চিন্তা। এসবের মাঝেই সমানে এসেছে সৌদি আরবের সিদ্ধান্ত। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, সৌদি আরব ইরানের সামরিক অ্যাটাশে ও দূতাবাসের কর্মীদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌদি আরব বলেছে, ইরানের এই হামলা সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির চরম লঙ্ঘন। আর ঠিক সেই কারণেই, তাঁদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের 'প্রকাশ্য' হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরব রবিবার ইরানি দূতাবাসের সামরিক অ্যাটাশে এবং মিশনের আরও চার কর্মীকে পার্সোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করেছে এবং তাঁদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এই সংক্রান্ত বিবৃতি এসেছে রবিবার ভোরে। রবিবার ভোরেপ্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের অব্যাহত হামলা "সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক চুক্তি, সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতি, রাষ্ট্রসমূহের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান, বেইজিং চুক্তি এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ (২০২৬) নম্বর প্রস্তাবের চরম লঙ্ঘন।" সঙ্গেই জানিয়েছে, তেহরানের এই ধরনের হামলা "ইসলামী ভ্রাতৃত্ব এবং ইসলাম ধর্মের মূল্যবোধ ও মূলনীতির" পরিপন্থী।
সৌদি আরব তার পূর্ববর্তী বিবৃতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং বলেছে যে, ইরানের অব্যাহত হামলা সামগ্রিক পরিস্থিতিতে গুরুতএভাবে প্রভাবিত করেছে এবং এই লাগাতার হামলার কারণে তাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিত্যেও যে প্রশ্ন উঠছে, তা স্পষ্ট করেছে সৌদি আরব।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, ইজরায়েলের ডিমোনো শহরের পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্য করে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যে প্রাপ্ত তথ্য, আহত শতাধিক। মনে করা হচ্ছে নাতানজে হামলার প্রত্যাঘাত হিসেবেই, এই হামলা চালিয়েছে ইরান।
তথ্য, ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রটিকে লক্ষ্য করে মূলত হামলা চালায় ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রে তথ্য, লক্ষ্য পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র হলেও, অল্পের জন্য লক্ষ্যচ্যুত হয় ক্ষেপনাস্ত্র। সাধারণ মানুষের বাসস্থানের এলাকার উপর পড়ে সেগুলি। দুটি সরাসরি আঘাতে আবাসিক ভবনগুলি গুঁড়িয়ে গিয়েছে একপ্রকার। মাটির উপর বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।
দমকলকর্মীদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি জানিয়েছে, ডিমোনা এবং আরাদ দু'জায়গাতেই ইন্টারসেপ্টর উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ইজরায়েলের জাতীয় জরুরি চিকিৎসা, দুর্যোগ, অ্যাম্বুলেন্স এবং ব্লাড ব্যাঙ্ক পরিষেবা সংস্থা জানিয়েছেন, আরাদে ৮৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর এবং ডিমোনায় ৩৩ জন আহত হয়েছেন। ওপর এক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, অন্তত শিতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তবে বহু মানুষ বম্ব শেলটারে আশ্রয় নেওয়ার জন্য, প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তাঁরা।
&t=1s
