আজকাল ওয়েবডেস্ক: শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, অর্থাৎ কোনও বিদেশি সরকারকে জোর করে ক্ষমতাচ্যুত করা। বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান-বিরোধী যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে বারবার আলোচিত হয়েছে। এখন সেই শাসনব্যবস্থারই বদল ঘটছে, তবে তা তেহরানে নয়। বরং ওয়াশিংটন ডিসিতেই এখন একের পর এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার পদচ্যুতি ঘটছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের অনেকেই হয় বরখাস্ত হয়েছেন, নতুবা অচিরেই তাদের বিদায় ঘণ্টা বাজতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসে এখন চলছে এক ব্যাপক শুদ্ধিকরণ অভিযান। যার পটভূমিতে রয়েছে ইরান যুদ্ধ এবং আসন্ন ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন। এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া ডেমোক্র্যাটরা লড়া ইদেবে বলে আশা।
তবে কেবল অসামরিক কর্মকর্তারাই যে পদ হারাচ্ছেন, তা নয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এখন মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও নিশানা করেছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর এই প্রক্রিয়াটি নতুন গতি লাভ করেছে। হেগসেথ-ই সেইন ব্যক্তি, যার ওপর ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের দায় চাপানোর চেষ্টা করেছিলেন।
নিজের অনুগতদের ছাঁটাই করার বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে নতুন কিছু নয়। তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনি তাঁর প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস-সহ আরও অনেককে বরখাস্ত করেছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের সূচনা হয়েছিল এমন এক নীতি দিয়ে, যাকে 'দ্য আটলান্টিক' পত্রিকা অভিহিত করেছিল 'নো-স্ক্যাল্পস' (কাউকে বরখাস্ত না করার) নীতি হিসেবে। যা ছিল অতীতের সেই ঘনঘন রদবদল বা 'রিভলভিং-ডোর' বিশৃঙ্খলা থেকে নিজের অনুগতদের রক্ষা করার একটি আপাত প্রতিশ্রুতি।
তাহলে হঠাৎ করে এই অবস্থান পরিবর্তনের কারণ কী? কারা ইতিমধ্যেই বরখাস্ত হয়েছেন, কাদের উপর নামতে পারে খাঁড়া, ওয়াশিংটন ডিসিতে কি তবে পুরোদমে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন প্রক্রিয়া চলছে?
ট্রাম্প কেন ক্রিস্টি নোয়েম এবং প্যাম বন্ডিকে বরখাস্ত করলেন?
'দ্য আটলান্টিক'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের সূচনা করেছিলেন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরখাস্ত করার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। তিনি মনে করতেন, এমন পদক্ষেপ করা মানে হল ডেমোক্র্যাট ও সংবাদমাধ্যমের কাছে নতি স্বীকার করা।
তবে সেই অবস্থান এখন বদলে গিয়েছে। অভিবাসন সমস্যা থেকে শুরু করে 'এপস্টেইন ফাইলস' এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ - এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে বহুবিধ কারণ।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের জনসমর্থনের হার বা 'অ্যাপ্রুভাল রেটিং' ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই সপ্তাহে 'দ্য ইকোনমিস্ট' পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, সামগ্রিকভাবে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ট্রাম্পের 'নেট অ্যাপ্রুভাল রেটিং' বা নিট জনসমর্থন কমে গিয়েছে। সমর্থন ২০ থেকে ২৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। প্রথম বড় ধরনের রদবদলের শিকার হন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম। ক্রিস্টি তাঁর কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে "আইস বার্বি" নামে পরিচিত ছিলেন। নোয়েম দেশের প্রধান শহরগুলোতে সশস্ত্র 'আইস' এজেন্টদের মোতায়েন করেছিলেন এবং প্রশাসনের নির্বাসন অভিযানের প্রধান মু খ হয়ে উঠেছিলেন।
ক্রিস্টি নোয়েমের পতনের নেপথ্যে একাধিক বিতর্ক কাজ করেছিল। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - আইস এজেন্টদের হাতে মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেটি এবং রেনে গুডের প্রাণঘাতী হত্যাকাণ্ড (যাদের নোয়েম প্রকাশ্যে 'অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন), জুলাই ২০২৫-এর টেক্সাস বন্যা ও হারিকেন হেলেন পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর বিভাগের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার ঝড়, এবং ট্রাম্পের অনুমোদন ছাড়াই তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ২২ কোটি ডলারের একটি বিজ্ঞাপন চুক্তি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
একসময়ের অত্যন্ত সমাদৃত এই "ম্যাগাই যোদ্ধা" ২০২৬ সালের ৫ মার্চ বরখাস্ত হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে 'শিল্ড অফ দ্য আমেরিকাস'-এর বিশেষ দূত হিসেবে নতুন দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হবে।
ট্রাম্পের অনুচরদের মধ্যে পরবর্তী যে ব্যক্তি পদচ্যুত হলেন, তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্টের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, প্যাম বন্ডি। বন্ডির ডাকনাম ছিল "প্যাম্বি"; তিনি ছিলেন প্রশাসনের অন্যতম কট্টর সমর্থক এবং বিচার বিভাগকে ঢেলে সাজিয়েছিলেন - যাতে প্রশাসনের দৃষ্টিতে যারা শত্রু, তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা যায়।
তবে, 'দ্য ইকোনমিস্ট'-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ - যেমন এফবিআই-এর সাবেক পরিচালক জেমস কোমি এবং নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস - এর বিরুদ্ধে মামলা চালাতে বন্ডির ব্যর্থতা (উভয় প্রচেষ্টাই মার্কিন আদালত খারিজ করে দিয়েছিল) এবং 'এপস্টাইন ফাইলস' প্রকাশের পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে তাঁর অদক্ষতা (দেখা গেল, ডাও জোন্স সূচক ৫০ হাজার পয়েন্টে পৌঁছানোটা মনোযোগ সরানোর জন্য যথেষ্ট কার্যকর কৌশল ছিল না) - হোয়াইট হাউসে হতাশার জন্ম দেয়।
অবশেষে, ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, ট্রাম্প প্যাম বন্ডিকে বরখাস্ত করেন। এর মধ্য দিয়ে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে তিনি হলেন দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার সদস্য যিনি পদচ্যুত হলেন। এবং আমরা শীঘ্রই দেখতে পাব যে, এই বরখাস্তের পালা হয়তো এখানেই শেষ নয়।
পিট হেগসেথ কেন মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিলেন?
হোয়াইট হাউস যখন তাদের শীর্ষ পদগুলোতে শুদ্ধি অভিযান বা 'পার্জ' জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই আগে থেকেই শুরু হওয়া আরেকটি শুদ্ধি অভিযান, যা ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নতুন গতি পেয়েছে।
প্রতিরক্ষা সচিব (পরবর্তীতে যার নাম পরিবর্তন করে 'যুদ্ধ সচিব' রাখা হয়) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই, পিট হেগসেথ, যাঁকে পেন্টাগনের কিছু কর্মী ব্যঙ্গ করে "বোকা ম্যাকনামারা" নামে ডাকতেন - মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। তাঁর অভিযানের মূল লক্ষ্য হল—তাঁর ভাষায় তথাকথিত "ওক" এবং বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি সংক্রান্ত উপাদানগুলোকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে, তার পরিবর্তে একটি কঠোর "যোদ্ধাসুলভ মানসিকতা" প্রতিষ্ঠা করা।
'দ্য আটলান্টিক'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেগসেথের এই শুদ্ধি অভিযান ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার পদ কেড়ে নিয়েছে; তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জয়েন্ট চিফস-এর চেয়ারম্যান জেনারেল সি কিউ ব্রাউন, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেটি, বিমানবাহিনীর উপ-প্রধান জেনারেল জেমস স্লাইফ এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জেনারেল জেফরি ক্রুজ। এছাড়া তিনি কৃষ্ণাঙ্গ, নারী এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাধিক কর্মকর্তার পদোন্নতিও আটকে দিয়েছেন।
মার্কিন বাহিনী যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি—ঠিক সেই সময়েও এই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের ৩ এপ্রিল, শুক্রবার—হেগসেথ সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জ, তাঁর চিফ অফ স্টাফ জেনারেল ডেভিড হোডনি এবং সেনাবাহিনীর প্রধান ধর্মযাজক মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়র-কে বরখাস্ত করেন। পেন্টাগনের সূত্রগুলো সিবিএস নিউজকে জানিয়েছে যে, এই পদক্ষেপগুলোর উদ্দেশ্য ছিল এমন সব নেতৃত্বকে ক্ষমতায় বসানো, যারা সেনাবাহিনীর বিষয়ে ট্রাম্প ও হেগসেথের দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবেন।
তবে 'দ্য আটলান্টিক' পত্রিকা জানিয়েছে যে, বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের অনেকেই সেনাবাহিনী সচিব ড্যান ড্রিসকলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ড্যান ড্রিসকল ছিলেন হেগসেথের ব্যক্তিগত আক্রোশের লক্ষ্যবস্তু। এই আক্রোশের নেপথ্যে ইন্ধন জুগিয়েছিল এমন গুজব যে, 'সিগন্যালগেট' কেলেঙ্কারির পর (যে ঘটনায় 'দ্য আটলান্টিক'-এর সম্পাদক জেফরি গোল্ডবার্গ অনিচ্ছাকৃতভাবে একটি অতি-গোপনীয় 'সিগন্যাল' গ্রুপ চ্যাটে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন) ড্রিসকলকেই হেগসেথের স্থলাভিষিক্ত করার পরিকল্পনা চলছিল।
তবে এই বরখাস্তের ঘটনাগুলোর সময়কাল এমন এক পরিস্থিতির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, যখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে এই প্রমাণ যে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যগুলো হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও তেহরানের মদদপুষ্ট বাহিনীগুলো সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে ক্রমাগত বিঘ্ন ঘটিয়ে চলেছে এবং হরমুজ প্রণালী এখনো কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে।
ট্রাম্পের বরখাস্তের তালিকায় পরবর্তী নাম কে?
ক্রিস্টি নোয়েম এবং প্যাম বন্ডির বরখাস্তের ঘটনাটি ওয়াশিংটন ডিসিতে আসন্ন এক ব্যাপক রদবদল বা 'রক্তস্নাত শুদ্ধি অভিযানের' কেবল সূচনা মাত্র হতে পারে।
'দ্য আটলান্টিক', 'পলিটিকো' এবং 'দ্য গার্ডিয়ান'-এর প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে শীঘ্রই বিদায় করে দেওয়া হতে পারে। প্রশাসনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা 'পলিটিকো'-কে বলেন, "তিনি (ট্রাম্প) অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং তিনি বিভিন্ন পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে নতুন লোক বসাতে চলেছেন।"
যাদের ওপর বরখাস্তের খড়্গ নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল (যার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলো সম্প্রতি ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী হ্যাক করেছিল), শ্রম সচিব লরি শ্যাভেজ-ডি-রেমার, বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক, সেনাবাহিনী সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড।
এমনকি নিজের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মহলেও ট্রাম্পের সরাসরি রোষানলে পড়েছেন দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ একটি ব্রিফিং চলাকালীন প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের (যাকে ট্রাম্প একদা 'মেশিনগানের মতো ঠোঁটওয়ালা' হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন) দিকে ফিরে সরাসরি ও রূঢ় ভাষায় বলেন, "তুমি অত্যন্ত বাজে কাজ করছ।" এ সময় তিনি রসিকতা করে এ প্রশ্নও তোলেন যে, তাদের কি "তাঁকে (লেভিটকে) রেখে দেওয়া উচিত?" অবশ্য পরে তিনি এও যোগ করেন যে, আপাতত সম্ভবত তাকে রেখেই দেওয়া হবে।
এছাড়া 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদনে ধীরগতির জন্য ট্রাম্প রসিকতাচ্ছলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকেই দায়ী করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে করে বলেন, "যদি এই চুক্তি সম্পন্ন না হয়, তবে আমি এর দায় জেডি ভ্যান্সের ওপরই চাপাব।"
মধ্যবর্তী নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে থাকায়, প্রশাসনের এই রদবদল বা 'শুদ্ধি অভিযান' ধীর হওয়ার কোনোও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে, শেষমেশ শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এসেই পড়েছে - তবে তা ইরানে নয়, বরং ট্রাম্পের ওয়াশিংটন ডিসিতে।















