আজকাল ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত। এছাড়াও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুবাই, আবুধাবি, দোহা এবং মানামায় বাসিন্দারা নতুন বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি-র সাংবাদিকরা, দুবাইতে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, আবুধাবির বাসিন্দারা জোরে জোরে বিস্ফোরণের কথা তুলে ধরেছেন। মানামায় সাইরেন বেজেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে কাতারের রাজধানীতে একজন সাংবাদিক হালকা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
পারমাণবিক কর্মসূচি শিথিল বা বন্ধ করতে রাজি হযনি তেহরান। ফলে শুক্রবার রাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়। শনিবার, দ্বিতীয় দিনেও হামলা চলে। সেই হামলায় যেমন বিস্ফোরণ হয়েছিল, তেমনই শব্দ এ দিন শোনা গিয়েছে।
দুবাইয়ের একজন বাসিন্দা ফোনে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি দূর থেকে কিছু বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, কিন্তু তা ইরানি হামলা কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেননি। দুবাইতে বসবাসকারী ভারতীয় আর চৌধুরী বলেন, "আমরা কয়েক ঘন্টা অন্তর অন্তর বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাচ্ছি।"
ইরান রবিবার দাবি করেছে যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় একটি তেল ট্যাঙ্কার আঘাত করা হয়েছিল, ফলে সেটি ডুবে গিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি বিস্তারিত কিছু না জানালেও বলেছে যে, "হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবৈধভাবে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আঘাতপ্রাপ্ত আক্রমণকারী তেল ট্যাঙ্কারটি এখন ডুবে যাচ্ছে।" ওই ট্যাঙ্কারে ১৫ জন ভারতীয় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
সমুদ্রে জ্বলন্ত ট্যাঙ্কার থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। এমন ফুটেজ ভাইরাল। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের সমুদ্রগামী তেলের এক-চতুর্থাংশ এবং সমস্ত তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করে।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড শনিবারই সতর্ক করে দিয়েছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলি হামলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ নয়। তাই এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
