আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক শ্রেণির মানুষ আছেন, যাঁরা বেঁচে থাকার জন্য খান। আর এক শ্রেণির মানুষ রয়েছেন, যাঁরা খাওয়ার জন্যই বেঁচে থাকেন। ভোজনরসিক, খাদ্যরসিক তাঁদের সামনে খাবারের কথা বললেই, একে একে কেবাব, চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ, চিজ ভেসে ওঠে। কিন্তু জানেন কি বিশ্বের সব দেশে এইসব খাবার অনুমোদিত নয়। কোনও দেশে নিষিদ্ধ লোভনীয় কেবাব, কোনও দেশে বিক্রি করা যায় না ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ। তার পিছনে কারণও রয়েছে অবাক করার মতো। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, বিশ্বের একগুচ্ছ দেশে প্রায় ৩০টির বেশি পরিচিত, জনপ্রিয় এবং লোভনীয় খাবার নিষিদ্ধ। এর প্রাথমিক কারণ, সব দেশের নিজেদের নিয়ম-কানুন রয়েছে। অনেক সময় বিদেশে ভ্রমণ করার গে সে দেশের নিয়ম কানুনে চোখ বুইলিয়ে নিতে বলা হয়, তার মধ্যে অন্যতম, সে দেশে গেলে, কোন খাবার আপানি সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন না কোনওভাবেই।
যেমন-
ফ্রুট ললিপপ- নরওয়ে, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় ফ্রুট ললিপপ নিষিদ্ধ। কারণ, এই খাবারে অতিরিক্ত কৃত্রিম রঙের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই রঙিন খাবার শিশুদের কাহাব্রের প্রতি আকৃষ্ট করলেও, এই চার দেশে একেবারে নিষিদ্ধ এই খাবার।
রেয়ারলি ফ্রায়েড বার্গার-বার্গার, এই খাবার শুনলেই জিভে জল আসে অনেকের। পাতে পড়লেই শেষ নিমেষে। কিন্তু এক ধরনের বার্গার রয়েছে, যার রান্নার পদ্ধতিতে সমস্যা বেশকিছু দেশের। নিউজিল্যান্ড এবং ব্রিটেনের বেশকিছু অংশে এই খাবার নিষিদ্ধ। কারণ, মনে করা হয় রান্নার এই পদ্ধতির কারণে, মাংসের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
কেবাব-স্টার্টার হোক বা মেইন কোর্সে, কেবাব এখন অতি জনপ্রিয়। রেশমি কেবাব নাকি টাংরি কেবাব- তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু কেবাব থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন, এমন উদাহরণ কমই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, ভেনিসে এই খাবার একেবারে নিষিদ্ধ। কারণ? জানা গিয়েছে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিরূপ বলে মনে করা হয় এই খাবারকে।
চুইং গাম- চুইং গাম চিবোতে থাকা অনেকের অভ্যাস। পছন্দের তালিকায় থাকা এই চুইং গাম ১৯৯২ থেকে নিষিদ্ধ সিঙ্গাপোরে। রাস্তাঘাট পরিস্কার রাখার কারণেই এই সিদ্ধান্ত সে দেশের সরকারের।
কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন, আমেরিকার বেশকিছু অংশে কাঁচা দুধ বিক্রি নিষিদ্ধ।
স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ব্রিটেন এবং কানাডায় নিষিদ্ধ ফ্যাট-ফ্রি চিপস।
অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপোর, ব্রিটেনের বেশকিছু জায়গায় নিষিদ্ধ ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ। দিনে দিনে প্রায় সর্বত্র ফ্রোজেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজের প্যাকেট মজুত রাখা হচ্ছিল। কিন্তু স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে বেশকিছু জায়গায় নিষিদ্ধ এই খাবার।
