আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ জ্বলছে বাংলাদেশ। অশান্তিতে। যেখানে সংখ্যালঘু বিধবাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দু’‌জনের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর বিধবাকে গাছে বেঁধে চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। 


এই যখন পরিস্থিতি, তখন প্রকাশ্যে এল আর এক ভয়াবহ ঘটনা। 


প্রকাশ্য রাস্তায় আরও এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটে গেল বাংলাদেশে। এবার ঘটনাস্থল যশোর। যশোরের উপজেলা মণিরামপুরে এই ঘটনা ঘটে সোমবার সন্ধেয়। সেখানে উপজেলার কপালিয়া বাজারে কয়েকজন এসে রানা প্রতাপ নামক এক সাংবাদিকের (‌৪৫)‌ মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে বলে খবর।


সূত্রের খবর, রানা প্রতাপ এক কারখানার মালিক ছিলেন। সঙ্গে এক সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাজও করতেন। কেন রানা প্রতাপকে খুন করা হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনাস্থলে ৭ টি গুলির খোল উদ্ধার হয়েছে। সন্ধে ৬টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। 


জানা গিয়েছে, রানাকে তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ডেকে পাশে একটি ক্লিনিকের পাশে থাকা গলির মুখে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই রানাকে গুলি করা হয়েছে বলে খবর। একটি নয়, পর পর একাধিক গুলি চালিয়েছে আততায়ীরা। এরপর আততায়ীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। 


এদিকে, বাংলাদেশের ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নদীপাড়া এলাকায় ৪০ বছর বয়সি এক বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় নির্যাতিতা বিধবাকে স্থানীয়রাই ঝিনাইদহের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্রথমে ওই বিধবা ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেননি। পরে মেডিক্যাল টেস্টে জানা যায়, তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার। 


পুলিশকে ওই বিধবা জানিয়েছেন, গত শনিবার সন্ধেয় আচমকাই বাড়িতে ঢোকেন শাহিন ও তাঁর সঙ্গী হাসান। ঘরে বন্দি করে দু’‌জনে মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি সেদিন তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার দাবিও করেন দুই অভিযুক্ত যুবক। ওই টাকা দিতে অস্বীকার করেন তিনি। যা ঘিরে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। 
এরপরই শাহিন ও তাঁর সঙ্গী হাসান বিধবাকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। শুধু তাই নয়, তাঁর চুলও কেটে নেওয়া হয়। সেই নির্যাতন ক্যামেরাবন্দি করে, ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন তাঁরা। এই আবহে ফের এক ঘটনা ঘটে গেল।