চন্দ্রগ্রহণ শেষ হলে কী কী করবেন? গ্রহণের কুপ্রভাব থেকে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
৩ মার্চ ২০২৬ ১৯ : ১৬
শেয়ার করুন
1
11
আধ্যাত্মিক দিক থেকে এবং জ্যোতিষমতে, প্রাচীকাল থেকে চন্দ্রগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়৷ নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সময় কোনও শুভ কাজ করতে নিষেধ করা হয়৷
2
11
গ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মন যতটা সম্ভব শান্ত সমাহিত রাখতে বলা হয়৷ এই সময় ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করলে পরিবারে এবং জীবনে কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়৷
3
11
গ্রহণ শেষ হলেই স্নান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন জ্যোতিষীরা৷ মনে করা হয় গ্রহণের সময় সুতকের প্রভাব থাকে৷ এই নেতিবাচক প্রভাব কেবলমাত্র স্নান করলে দূর হয়৷ স্নান কেবলমাত্র শরীরকে পরিস্কার করা নয়, আধ্যাত্মিকভাবেও নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জন্য স্নান গুরুত্বপূর্ণ।
4
11
গ্রহণে যে নেতিবাচক শক্তির সৃষ্টি হয় তা শরীর এবং মনে প্রভাব বিস্তার করে৷ এই নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে স্নান বিশেষ কার্যকরী৷
5
11
স্নানের জলে সামান্য গঙ্গাজল মিশিয়ে নিতে হবে৷ গঙ্গাজল না থাকলে স্নানের জলে তুলসীপাতা দিয়ে স্নান করলে মানসিক শান্তি বজায় থাকে এবং আধ্যাত্মিক শক্তিবৃদ্ধি পায়৷
6
11
স্নানের পরে পরিস্কার জামাকাপড় পরতে হবে৷ "ওঁ নবগ্রহ নম:" এই মন্ত্র জপ করা অবশ্য কর্তব্য৷
7
11
চন্দ্রদেবকে কাঁচা দুধ অর্পণ করা শুভ৷ মনে করা হয় চন্দ্রদেবকে দুধ অপর্ণ করলে নবগ্রহশান্তি হয় এবং জীবনে সৌভাগ্যের উদয় হয়৷
8
11
গ্রহণ শেষ সারা বাড়ি এবং ঠাকুরের আসন পরিস্কার করা দরকার৷ গঙ্গাজল অথবা নুন জল দিয়ে ঘর মুছলে নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়৷
9
11
গ্রহণ শেষে গরীব মানুষকে দান করলে জীবনে উন্নতি হয়৷ খাবার, জামাকাপড়, তিল, সাদা বস্ত্র, নুন, ভাত অথবা দুধ দান করা অত্যন্ত শুভ৷ এই সমস্ত জিনিসের সঙ্গে চন্দ্রের যোগ থাকায় এগুলি দান করলে জীবনে গ্রহণের কুপ্রভাব দূর হয়।
10
11
গ্রহণের আগে রান্না করা খাবার থাকলে গ্রহণের পরে সেই খাবার না খাওয়াই ভাল৷ যদি রান্না করা খাবার থাকে তাহলে তার মধ্যে তুলসী পাতা অবশ্যই দিয়ে রাখতে হবে৷
11
11
স্নান সেরে শুদ্ধবস্ত্রে ঈশ্বরের আরাধনা করা অত্যন্ত শুভ৷ এই সময় ধ্যান এবং মন্ত্রজপের মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়। জীবনে ইতিবাচক শক্তির বৃদ্ধি হয়৷