আজকাল ওয়েবডেস্ক: দ্বিতীয় দিনেও ইরানে বৃহৎ পরিসরে হামলা চালাল আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে,  ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদর দপ্তর ধ্বংস করা হয়েছে।  

মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, গত ৪৭ বছরে ১,০০০ জনেরও বেশি আমেরিকানের মৃত্যুর জন্য দায়ী আইআরজিসি। ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদর দপ্তর ধ্বংসের বিষয়টিকে "সাপের মাথা কেটে ফেলা" বলে বর্ণনা করেছে সেন্টকম। নিজেদের শক্তি জাহিরে সেন্টকমের দাবি, আমেরিকার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে, আইআরজিসির এখন কোনও সদর দপ্তর নেই।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গত ৪৭ বছরে ১,০০০ জনেরও বেশি আমেরিকানকে হত্যা করেছে। গতকাল (শনিবার), একটি বৃহৎ পরিসরে মার্কিন হামলায় 'সাপের মাথা কেটে ফেলা হয়েছে'। আমেরিকার সামরিক বাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী, আইআরজিসির আর কোনও সদর দপ্তর নেই।" 

ইজরায়েলি সেনাবাহিনী ইরানের কয়েক ডজন সামরিক কমান্ড সেন্টারে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে, যার মধ্যে আইআরজিসি, গোয়েন্দা সদর দপ্তর, আইআরজিসি বিমান বাহিনীর কমান্ড কেন্দ্র এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সদর দপ্তর অন্তর্ভুক্ত।

ইসরায়েলি বিবৃতি অনুসারে, এই হামলা ইরানের কমান্ড-ও-নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উপর মারাত্মক আঘাত এনেছে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলোতে কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই'য়েরর হত্যার পর রবিবারও ইরানে মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ অভিযান অব্যাহত ছিল।

রবিবার রাতে তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটে, ইজরায়েল জানিয়েছে যে- তাদের হামলাগুলো রাজধানীর কেন্দ্রস্থলকে লক্ষ্য করে ছিল। ইরান ইজরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সৌদি আরবের রাজধানী এবং দুবাইতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়।

খামেনেইয়ের মৃত্যু নিশ্চিৎ হতেই রবিবার শুরুতেই, ইরান ৬৬ বছর বয়সী ধর্মীয় নেতা আলিরেজা আরাফিকে তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদে নিযুক্ত করে। খামেনেই-এর জায়গায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আরাফির নেতৃত্বাধীন নেতৃত্ব পরিষদেই দেশ পরিচালনা করবে।