আজকাল ওয়েবডেস্ক: হামলা অব্যাহত। যুদ্ধবিরতির, শর্ত, এসবকিছুর পরেও হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল। যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টা পরেই লেবাননে ভয়ঙ্কর হামলা চালায় তারা। লেবাননে ইজরায়েল হামলা চালানোর ফলে, কড়া বার্তা দিয়েছিল ইরান। সাফ জানিয়েছিল, 'লেবাননের বিরুদ্ধে এই ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের জেরে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল এখনই বন্ধ করা উচিত। লেবাননের মানুষ আমাদের জন্য প্রাণ দিয়েছে, আমরা তাদের এক মুহূর্তের জন্যও একা ছেড়ে যেতে পারি না। যুদ্ধবিরতি হবে সব ফ্রন্টে, না হলে কোথাও নয়।'
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স একটি পোস্ট করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে লেখা হয়েছে, ইজরায়েলের হামলার কারণেই হিজবুল্লাহ প্রধানের ব্যক্তিগত উপদেষ্টা নিহত হয়েছেন।
?s=20
ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স পোস্ট করে লিখেছে, 'বৈরুতে হিজবুল্লাহর প্রধান নাইম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব আলী ইউসুফ হারশি নিহত। একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ব্যক্তিগত উপদেষ্টা হিসেবে হারশি কাসেমের কার্যালয় পরিচালনা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।' ঠিক কোথায় হামলা চালিয়েছে আইডিএফ, সেই উল্লেখও করা হয়েছে পোস্টে। লেখা হয়েছে, 'আইডিএফ লিতানি নদীর দক্ষিণে হিজবুল্লাহর অস্ত্র পাচারের জন্য ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং এবং দক্ষিণ লেবাননে প্রায় ১০টি অস্ত্রাগার, লঞ্চার ও কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালিয়েছে।'
অন্যদিকে, সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা ইজরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালিয়েছে।
গত মাসে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর বুধবার ইসরায়েল লেবাননের ওপর সবচেয়ে মারাত্মক হামলা চালিয়েছে, যাতে ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তার পরেও পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর, ২৪ ঘণ্টা কাটেনি। তার আগেই, ইরান অভিযোগ তুলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট শর্ত লঙ্ঘন করেছে। দাবি, ১০ শর্তের মধ্যে, তিন শর্ত মানছে না মার্কিন মুলুক। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, ১০ দফা শর্ত নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল। দু'সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণাও করেন ট্রাম্প। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনটি শর্ত ভেঙে ফেলা হল। পরিস্থিতি তাহলে কোন দিকে যাবে? এই চিন্তার মাঝেই ফের বড় বার্তা ট্রাম্পের!
সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ইরান এখনও নজরবন্দি। অর্থাৎ মার্কিন সেনাদের এখনই সরিয়ে নিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। সঙ্গেই জানিয়েছেন, দু'তরফ যদি চুক্তি না মানে, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
















