আজকাল ওয়েবডেস্ক: লাইভ চলাকালীন ছোট্ট একটি ভুল। আর তাতেই লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার হারালেন জনপ্রিয় এক ইনফ্লুয়েন্সার। কারণ? লাইভ চলাকালীন তাঁর অনুগামীদের সামনেই ফাঁস হয় আসল চেহারা। তরুণীর আসল চেহারা দেখেই লক্ষ লক্ষ অনুগামী আনফলো করতে শুরু করেন। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে চীনে। তরুণী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। তাঁর নরম, মসৃণ, ধবধবে ফর্সা রং দেখেই মুগ্ধ হয়ে যান ফলোয়াররা। তাঁর রূপের ছটায় দিনের পর দিন বাড়ছিল ফলোয়ারের সংখ্যাও। সম্প্রতি ওই তরুণীই লাইভে হাজির ছিলেন। 

লাইভে ছিল বিউটি ফিল্টার লাগানো। আচমকাই লাইভ চালাকালীন বিপত্তি ঘটে। লাইভের মাঝ পথে বন্ধ হয়ে যায় ওই বিউটি ফিল্টার। তখনই তরুণীর আসল চেহারা ফাঁস হয়। ট্যান পড়া, খসখসে ত্বক তাঁর। চেহারাতেও বয়সের ছাপ স্পষ্ট। যে চেহারা দেখেই ফলোয়ারদের তাঁর বয়স নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, তিনি যথেষ্ট বয়স্ক একজন মহিলা। বিউটি ফিল্টার লাগিয়ে নিজেকে তরুণী হিসেবে দেখান সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

লাইভ চলাকালীন কয়েক সেকেন্ডেই জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের আসল চেহারা ফাঁস হয়ে যায়। যার ঠিক পরেই এক লক্ষ ৪০ হাজার ফলোয়ার তাঁকে আনফলো করে দেন। যদিও এই ঘটনার আসল সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। আদৌ চেহারার কারণে আনফলো করেছেন, নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তাও স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের আসল চেহারা ফাঁস হতেই ফলোয়াররাও তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। 

জনপ্রিয় ওই ইনফ্লুয়েন্সারের নাম, পরিচয় এখনও জানা যায়নি। ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ার পরেই নেটিজেনরা নানা মত প্রকাশ করেছেন। কয়েকজনের দাবি, 'বিউটি ফিল্টার ছাড়াই তরুণীকে বেশি সুন্দর দেখাচ্ছিল।' আরেকজন লিখেছেন, 'ইনফ্লুয়েন্সাররা ফিল্টার দিয়ে যা দেখান, তাই সবাই বিশ্বাস করেন। এখানেই রিল ও রিয়েল লাইফের তফাৎ।' 

এক যুবক লিখেছেন, 'এটা থেকেই বোঝা যায়, নেটিজেনরাও ফিল্টার পছন্দ করেন। দুর্ভাগ্যজনক, সৌন্দর্য দেখেই ফলো ও আনফলো করা নির্ভর করে।' এক তরুণী আবার লিখেছেন, 'সুন্দর চেহারার প্রতি বরাবরই মানুষের দুর্বলতা থাকে। এর জন্যেই অপেক্ষাকৃত কম সৌন্দর্য দেখলেই মুখ ফিরিয়ে নেন সকলে।'