আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিএনপির চেয়ার ম্যান, বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান। হাসিনাহীন বাংলাদেশ, হাসিনার উত্তরসূরি হিসেবে বেছেছে তাঁকেই। সাফল্যে এবং প্রত্যাবর্তন, বাংলাদেশের রাজনীতির এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান জানিয়েছেন, ঠিক কেমন বাংলাদেশ তিনি চাইছেন। ভূমিধস জয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই বাংলাদেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীর মুখে ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের কথা।
মঙ্গলবার, সে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করবেন তারেক রহমান। তাঁর জন্য এপার থেকে শুভেচ্ছা বার্তার পর, গেল ফুল-মিষ্টি। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, তারেক রহমানের জন্য ফুল এবং মিষ্টি পাঠিয়েছেন। বাঙ্গাল্র শাসক দল, তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রেও খবর তেমনটাই। সূত্রের খবর, তারেক রহমানের জন্য, শনিবার সন্ধেয় ফুল-মিষ্টি পৌঁছেছে পদ্মাপারে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান, গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে ফুল-মিষ্টি গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে। এর আগে, শুক্রবার তারেক রহমানকে জয়ের শুভেচ্ছা জানান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এপার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, 'বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।'
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের এই নির্বাচন জয়ের দিনেই, ওপার বাংলার সঙ্গে এপার বাংলার সুসম্পর্কের বার্তাও মমতার শুভেচ্ছা বার্তায়। লিখেছেন, 'আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।' তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা বার্তা লেখেন, 'প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, 'বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক জয়লাভের জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই জয় আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।'
অন্যদিকে রবিবার সকালেই জানা যায়, মঙ্গলবার তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। ১৭ ফেব্রুয়ারি, এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণের সাক্ষী হতে চলেছে ঢাকা। শহরের বুকে দাঁড়িয়ে প্রায় সাড়ে তিন দশক পরে, সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন কোনও পুরুষ। অন্যদিকে দীর্ঘ সময় পরে, সেদিনই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন বিএনপি'র। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তারেক রহমানকে শপথ পাঠ করাবেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও, মঙ্গলেই শপথ নেবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। সূত্রের খবর, তারেকের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। একইসঙ্গে পাকিস্তান-চীন-সহ মোট১৩টি দেশকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশ। সূত্রের খবর তেমনটাই। যদিও বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী সে দেশে যাবেন কি না, তার নির্দিষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি এখনও।
