ভারতীয় সিনেমায় কিছু থাপ্পড়ের দৃশ্য ও অভিঘাত যারপরনাই গুরুত্বপূর্ণ। শুধুই হিংস্রতাকে ফুটিয়ে তোলেন ঐসব দৃশ্য, বরং কখনও সম্পর্ক ভাঙার মোড়, কখনও সামাজিক বিতর্কের আগুন, আবার কখনও নিখাদ কমেডির টাইমিং হিসেবেও একজ করেছে সেইসব থাপ্পড়। রইল সেই এই সাতটি সিনেমার মুহূর্ত যা দর্শক স্মৃতিতে গেঁথে রয়েছে স্থায়ীভাবে।
2
8
১. থাপ্পড়
এখানে থাপ্পড় কোনও দৃশ্য নয়, গোটা গল্পের ভিত্তি। পার্টিতে বিক্রমের চড় খাওয়ার পর অমৃতার নীরবতা যেন গর্জে ওঠে। সিনেমাটি ‘এরকম তো হতেই পারে’ মানসিকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলে -একটা থাপ্পড়ই যথেষ্ট, দাম্পত্যে আত্মসম্মানের ভিত ভেঙে দেওয়ার জন্য।
3
8
২. দিল চাহতা হ্যায়
সিড যখন আকাশকে চড় মারে, তা ঘৃণা থেকে নয়, মনের আঘাত থেকে। বয়স্ক এক মহিলাকে ভালবাসা নিয়ে আকাশের রসিকতা সিডের হৃদয়ে লাগে। সেই থাপ্পড় বন্ধুত্বে ফাটল তোলে, আর তিন বন্ধুর প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠার সেটাই সূচনা।
4
8
৩. ডিডিএলজে
রাজের সঙ্গে সিমরনের ছবি দেখে চৌধুরী বলদেব সিংয়ের থাপ্পড়, যা হিন্দি বাণিজ্যিক সিনেমার অন্যতম টানটান মুহূর্ত। এখানে মুখোমুখি দাঁড়ায় ‘সম্মান’-এর ঐতিহ্য আর প্রেমের আধুনিক আকাঙ্ক্ষা। এই সংঘর্ষই তৈরি করে ঐতিহাসিক রেল স্টেশন ক্লাইম্যাক্সের পটভূমি।
5
8
৪. কবীর সিং
সমসাময়িক বলিউডের সবচেয়ে বিতর্কিত থাপ্পড়গুলোর একটি। প্রীতির প্রতি কবীরের আচরণ ঘিরে শুরু হয় টক্সিক মাচোইজম নিয়ে জাতীয় বিতর্ক। কেউ একে ‘তীব্র প্রেম’ বললেও সমালোচকদের মতে, এটি নির্যাতনকে রোমান্টিসাইজ করে এবং সিনেমায় প্রেমের ভাষা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে।
6
8
৫. কভি খুশি কভি গম
ছবিতে যশবর্ধন রায়চন্দের চড় রাহুলকে শুধুই আঘাত করেনি, এক লহমায় ভেঙে দিয়েছিল ‘নিখুঁত’ পরিবারের মুখোশ। বাবা-ছেলের সম্পর্কের সেই ফাটলই তৈরি করে দীর্ঘ বিচ্ছেদ আর পুনর্মিলনের আবেগী গল্পের কেন্দ্রবিন্দু।
7
8
৬. জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা
গাড়ি থেকে ফোন ছুড়ে ফেলার পর ইমরানকে অর্জুনের কষিয়ে চড়, এটা ফোন নিয়ে রাগ নয়, বছরের পর বছর জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণের প্রতীক ছিল। সেই মুহূর্তই বন্ধুদের বাধ্য করে নিজেদের অতীতের মুখোমুখি হতে।
8
8
৭. হেরা ফেরি
কমেডির দিক থেকে বাবুরাও গণপতরাও আপ্টের থাপ্পড় কিংবদন্তি। “স্টাইল হ্যায়, বাবু ভাইয়া!” -এই সংলাপের সঙ্গে থাকা চড়গুলো দেখিয়েছে, বলিউডে থাপ্পড় ট্র্যাজেডির মতোই নিখুঁত কমিক টাইমিংয়ের হাতিয়ার হতে পারে।