আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন বিএনপি'র চেয়ারম্যান, খালেদা পুত্র তারেক রহমান। কিন্তু তার আগেই, রবিবার তিনি জাচ্ছেন জামাত শীর্ষ নেতা শফিকুর এবং এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের বাড়ি।

বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমসূত্রে তথ্য তেমনটাই। বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে উল্লিখিত। তথ্য, রবিবার সন্ধেয় দু'জনের বাসভবনে যাবেন তারেক রহমান। তথ্য, সন্ধে সাতটায় তিনি শফিকুর রহমান এবং সন্ধে আটটায় নাহিস ইসলামের বাসভবনে যাবেন।  

কিন্তু ভোটের পরেই কেন এই সাক্ষাৎ? তাহলে কি ভোট মিটতেই বদলে যাচ্ছে পদ্মাপারের রাজনৈতিক সমীকরণ? 

তথ্য, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচন-পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দুই বিরোধী রাজনৈতিক  দলের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ভাবী প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, শনিবার শহরের একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকল রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় ভুল বোঝাবুঝি দেখা দিতে পারে। তবে, আমি সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে এই ধরনের বিরোধ প্রতিশোধ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় রূপান্তরিত না হয়।' 

 

sশনিবার তারেক বলেন, 'আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যে কোনও মূল্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনও রকমের অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। দলমত ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক - কোনও অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সকল প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত - প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে।'

শনিবারের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর আসন্ন সরকারের সামনের চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে রহমান বলেন, 'আমরা এমন একটি পরিস্থিতিতে আমাদের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি যেখানে একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা, দুর্বল সাংবিধানিক ও কাঠামোগত প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে। অর্থনীতিও ভঙ্গুর।'

১৩তম সাধারণ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় দল (বিএনপি) বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে। বাংলাদেশের ৩০০ সদস্যের জাতীয় সংসদের মধ্যে ২০৭টি আসন জিতেছে বিএনপি। কট্টরপন্থী জামাত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট৬৯টি আসন জিতেছে। যা  এ যাবৎকালে জামাতের বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।