তমালিকা বসু, লন্ডন: শারদ পূর্ণিমার জ্যোৎস্না ঠিকরে পড়ছে টেমসের জলে। চিকচিক করা ঢেউয়ে অল্প দুলছে বিলাসবহুল প্রমোদতরী। ভিতরে চলছে কোজাগরীর উপাসনা। জলযানের উন্মুক্ত অংশে রয়েছে দুর্গা প্রতিমা। বাজছে ঢাক–কাসর। লন্ডনের বুক চিরে বয়ে যাওয়া টেমসের দু’ধারে অসংখ্য মানুষ দেখছেন, টাওয়ার ব্রিজের দিকে এগিয়ে চলেছে টেমস কার্নিভ্যাল। কলকাতার রেড রোড কার্নিভ্যালের আদলে টেমসের উপর এমন কার্নিভ্যাল এ বছর আগামী ২৮ অক্টোবর বিশ্ববাসীকে উপহার দিতে চলেছেন লন্ডন দুর্গোৎসব কমিটি বা ক্যামডেন পুজো। এ বছর ক্যামডেনের ৬০তম পুজো। গোল্ডেন জুবিলি পালনে তাই ক্যামডেন এবার মহোৎসবে নামবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তা ড. আনন্দ গুপ্ত। তিনি বলেন, মহালয়া থেকে আমাদের আনন্দ আয়োজন শুরু হয়েছে। নেহরু সেন্টারে মহিষাসুর মর্দিনী পরিবেশিত হল। শুক্রবার ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর সুইস কটেজ লাইব্রেরিতে চলবে ক্যামডেনের পুজো। পাঁচদিন পঞ্চস্বাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকছে। থাকছে পাঁচ হাজার লোকের ভোগের ব্যবস্থা। কিন্তু ৬০তম বর্ষে আনন্দ দ্বিগুণ করতে আমরা লক্ষ্মীপুজোর দিন বিশেষ ব্যবস্থা রাখছি। ক্যামডেন পুজোর সাধারণ সম্পাদক সুনবীর স্যান্যাল জানান, ২৫০ জন যাত্রিবাহী একটি প্রমোদতরী গোল্ডেন সানরাইজ বুক করা হয়েছে টেমস কার্নিভ্যালের জন্য। এই কার্নিভালে আমরা আমাদের দুর্গাপ্রতিমা নিয়ে টেমসের টেম্পল ঘাট থেকে গ্রিনিচ ঘাট অবধি যাব এবং ফিরব। পথে পড়বে মিলেনিয়াম ব্রিজ, লন্ডন ব্রিজ, সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল, টাওয়ার ব্রিজ। ছ’ঘন্টার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। টেমসের দু’ধার থেকে অগণিত মানুষ আমাদের প্রতিমা দর্শন করতে পারবে। এছাড়া, ওইদিন লক্ষ্মীপুজো। লঞ্চের অন্দরে পুজো চলবে। ভোগ বিতরণ, অঞ্জলি, আরতি সবকিছুর ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়াও, বাইরে ডেক–এ দুর্গা প্রতিমাকে বরণ করার আয়োজন করা হয়েছে। থাকছে ঢাক–কাসর। শারদোৎসবের পূর্ণ আমেজে লন্ডনবাসীকে না ভাসিয়ে আমরা ক্ষান্ত হব না।
লন্ডনে টেমসের উপর দুর্গা প্যারেড শুরু হয়েছিল গতবছর থেকে, হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবালের হাত ধরে। বাকি আরো কয়েকটি পুজোর মতো গত বছর ক্যামডেন এই মহাযজ্ঞের অংশ ছিল। কিন্তু এ বছর তারা নিজেরাই স্ব উদ্যোগ টেমস কার্নিভ্যালের আয়োজন করেছে।
এ প্রসঙ্গে ড. গুপ্ত বলেন, নিজেদের সংস্কৃতি ও গর্ব গোটা লন্ডনের সামনে প্রদর্শন করার বিরাট সুযোগ এটি। লন্ডনের বাঙালি সমাজ গতবারের টেমস প্যারেডকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। সেই জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে এই মহোৎসবের আয়োজন। ক্যামডেনের নিজস্ব সদস্য ও অতিথিদের নিয়ে ২৫০ জনের দল ওইদিন প্রমোদতরীতে প্রতিমা নিয়ে নৌবিহার করবে। ক্যামডেন জানিয়েছে, শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তলের বিশেষ সহায়তা ও সহযোগিতা পায় এই পুজো। এ বছর টেমস কার্নিভ্যালে ক্যামডেন পুজোর পিছনে রয়েছে সেনকো গোল্ড সংস্থা। সেনকোর ডিজাইন করা স্বর্ণালঙ্কার ক্যামডেন প্রতিমার গায়ে উঠবে। ডিজাইন অরিজিনাল কিন্তু গয়নাগুলি রেপ্লিকা বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক সুনবীর স্যান্যাল। টেমস কার্নিভ্যাল চলাকালীন নৌকায় ‘তুমি অনন্যা’ ফ্যাশন শো হবে। সেই ফ্যাশন শো–য়ে মনোনীত সেরা সুন্দরীকে সেনকোর রেপ্লিকা গয়না পুরস্কার দেওয়া হবে।
লন্ডনে টেমসের উপর দুর্গা প্যারেড শুরু হয়েছিল গতবছর থেকে, হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবালের হাত ধরে। বাকি আরো কয়েকটি পুজোর মতো গত বছর ক্যামডেন এই মহাযজ্ঞের অংশ ছিল। কিন্তু এ বছর তারা নিজেরাই স্ব উদ্যোগ টেমস কার্নিভ্যালের আয়োজন করেছে।
এ প্রসঙ্গে ড. গুপ্ত বলেন, নিজেদের সংস্কৃতি ও গর্ব গোটা লন্ডনের সামনে প্রদর্শন করার বিরাট সুযোগ এটি। লন্ডনের বাঙালি সমাজ গতবারের টেমস প্যারেডকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। সেই জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে এই মহোৎসবের আয়োজন। ক্যামডেনের নিজস্ব সদস্য ও অতিথিদের নিয়ে ২৫০ জনের দল ওইদিন প্রমোদতরীতে প্রতিমা নিয়ে নৌবিহার করবে। ক্যামডেন জানিয়েছে, শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তলের বিশেষ সহায়তা ও সহযোগিতা পায় এই পুজো। এ বছর টেমস কার্নিভ্যালে ক্যামডেন পুজোর পিছনে রয়েছে সেনকো গোল্ড সংস্থা। সেনকোর ডিজাইন করা স্বর্ণালঙ্কার ক্যামডেন প্রতিমার গায়ে উঠবে। ডিজাইন অরিজিনাল কিন্তু গয়নাগুলি রেপ্লিকা বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক সুনবীর স্যান্যাল। টেমস কার্নিভ্যাল চলাকালীন নৌকায় ‘তুমি অনন্যা’ ফ্যাশন শো হবে। সেই ফ্যাশন শো–য়ে মনোনীত সেরা সুন্দরীকে সেনকোর রেপ্লিকা গয়না পুরস্কার দেওয়া হবে।
















