আজকাল ওয়েবডেস্ক: ক্ষমতা ধরে রাখলেন নীতীশ কুমার। ম্যাজিক ফিগার ছাপিয়ে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে এনডিএ। ২৪৩টির মধ্যে ১৯০ আসনে এগিয়ে গেররুয়া জোটের প্রার্থীরা। অনেকটাই পিছিয়ে মহাগঠবন্ধন। রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোট ৪৯টিতে এগিয়ে। বিহারে নীতীশের নেতৃত্বে এনডিএ প্রার্থীরা ১৬০টির বেশি আসনে জিতবেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন অমিত শাহ। যা মিলে গেল। শাহ বোঝালেন কেন তাঁকে পদ্ম শিবিরের 'চাণক্য' বলা হয়।

কী বলেছিলেন অমিত শাহ?
এসআইআর আবহে বিহারের ভোট এবার ছিল বেশ তাৎপর্যবাহী। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই রাজ্যে এনডিএ-এর জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। বার বার বলেছিলেন, "এনডিএ ১৬০টি আসন জিতবে (এবং) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।" সেই পূর্বাভাসই আপাতত মিলে গেল।

গত সপ্তাহেই অমিত শাহ পাঁচ শরিক বিশিষ্ট এনডিএ-তে, বিজেপি এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড, চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টির ফাটলের জল্পনা উড়িয়ে দেন। তিনি বলেছিলেন, "মানুষ যেভাবে আমাদের জন্য উল্লাস করছে... আমার মনে হয় বিহারের মানুষ এনডিএ, বিজেপির সঙ্গে আছে... আমি এটাকে পাঁচ পাণ্ডবের লড়াই বলব (হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতের উল্লেখ) কারণ কোনও বিরোধ ছাড়াই পাঁচটি সাংবিধানিক দল (যেমন, জেডিইউ, বিজেপি, এলজেপি, এইচএএম, এবং আরএলএম) ঐক্যবদ্ধ।"

এক্সিট পোলেও বিহারের এনডিএ-এর জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল। এনডিটিভি-সহ ১৩টি সমীক্ষাই নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জোটকে এগিয়ে বলে জানায়। তবে কেউ কেউ মহাগঠনবন্ধনের দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইয়ের পূর্বাভাসও দিয়েছিল। আজ সকালে গণনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুথ ফেরৎ সমীক্ষাই ক্রমশ সঠিক প্রমাণিত হচ্ছে। এনডিএ গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল এবং ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়ছে। 

কিন্তু এই ভোটের ফলাফল কেবল এনডিএ-এর (সম্ভাব্য) ১৬০ আসনে জয়ের নয়। এই ফলাফল নীতীশ কুমারের পুনরুত্থান। ২০২০ সালের নির্বাচনের পর জেডিইউ কম আসন মেলায় নীতীশ 'ছোট ভাই'-এরৃ তকমা হজম করেছিলেন। হতবারের চেয়ে বেশি আসন পেতে চলেছে নীতীশের দল। তবে কে হবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল, বিজেপি নাকি জেডিইউ তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। ধরাশায়ী আরজেডি। এবার তারা এখনও মাত্র ৩৪টি আসনে এগিয়ে।