আজকাল ওয়েবডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় বেড়েছে উত্তেজনা। বন্ধ আকাশপথ। তাই বহু ভারতীয় বাতিল করেছেন নিজেদের বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা। পাশাপাশি ভিড় জমেছে ভারতীয় পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে।
ভারত থেকে ইউরোপ অথবা আমেরিকা যেতে হলে উড়তে হয় পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথে। কিন্তু এখন সে গুড়ে বালি। সেই আকাশ এখন সংঘর্ষের দাবদাহে সাধারণের জন্য বন্ধ। তাই ইউরোপ বা আমেরিকা ভ্রমণ আপাতত স্থগিত রাখতে হয়েছে বহু ভারতীয়দের। তবে বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত বলে তো আর ঘরে বসে থাকা যায় না। তাই বেরিয়ে পড়ছেন মানুষ। নিজের দেশের আনাচে–কানাচে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্যটনের ওয়েবসাইটগুলোতে দেখা যাচ্ছে, এই রোদ ঝলসানো গরমে মানুষ খুঁজছে ঠান্ডার আরাম। বুকিং বাড়ছে লাদাখ, ঋষিকেশ, সিমলা, কুলু–মানালি, শিলং সহ উত্তর–পূর্ব ভারতের নানান জায়গায়। একটি রিপোর্ট অনুয়ায়ী, প্রায় ৬৫ শতাংশ ভারতীয়ই এই বছর ভারতের ভিতরেই ঘুরতে চাইছেন।
যদিও কোভিডকালের পর থেকেই এই ছোট ছোট ট্রিপের পরিমাণ দেশে অনেকখানি বেড়েছে। তবে এই বছর সেটা দ্বিগুণ হয়েছে। আগ্রহ বেড়েছে নিজেদের দেশের পাহাড়ের প্রতিও। এই বছর পাহাড়ে পর্যটক বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বুকিং হয়েছে উত্তরাখন্ড, হিমাচল প্রদেশ, লাদাখ, স্পিতি সহ আরও নানান জায়গার।
রিপোর্ট অনুযায়ী মানুষ ছোট ছুটিগুলিকেই বেশি কাজে লাগাচ্ছেন। কম খরচে ভ্রমণের মতো আকর্ষণীয় বিষয়টা বেশি পছন্দ করছেন সাধারণ মানুষ।
আপাতত বিদেশ ভ্রমণ কিছুটা অনিশ্চিত। তাই বড় ট্যুরের ক্ষেত্রে লাদাখ, কাশ্মীরের দিকেই ঝুঁকছেন মানুষ। ফলে ভ্রমণ সংস্থার মালিকদের এখন পোয়াবারো। যদিও এর ফলে দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট পাওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ উড়ানেও এর প্রভাব দেখা দিচ্ছে।
অনেকে আবার কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, তুঙ্গনাথ, যমুনেত্রীর মতো তীর্থস্থানগুলিতে ভিড় বাড়াচ্ছেন। ফলে নতুন পরিকল্পনা করতে হচ্ছে পর্যটন সংস্থাগুলিকে। যেসমস্ত শহরে ভিড় বেড়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উদয়পুর (প্রায় ৬৯ শতাংশ), যোধপুর (প্রায় ৮৭ শতাংশ), বাগডোগরা (প্রায় ৪৪ শতাংশ), শ্রীনগর (প্রায় ৪১ শতাংশ) ইত্যাদি।
যদিও বিদেশ ভ্রমণ একেবারে বন্ধ হয়েছে এমনটা নয়। নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, লাওসের মতো দেশগুলিতে পর্যটকরা যাচ্ছেন।
















