আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘর থেকে পালিয়েই যেন মুক্তি পেল মেয়েটি। আর তাঁর নিখোঁজ ডায়েরির তদন্ত করতে গিয়েই পর্দাফাঁস হলো এক চরম নৃশংসতার। নিজের উনিশ বছরের মেয়েকে গত চার বছর এবং নাবালিকা ভাইঝিকে টানা সাত বছর ধরে যৌন লালসার শিকার বানানোর অভিযোগে রাজকোট থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে শারীরিক প্রতিবন্ধী। তাঁর স্ত্রীও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। এই অসহায়তার সুযোগ নিয়ে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যেই চলছিল পাশবিক অত্যাচার। সম্প্রতি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই থানায় গিয়ে দাবি করেন, তাঁর মেয়ে নিখোঁজ। তদন্তে নেমে পুলিশ তরুণীর হদিস পেতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।
তরুণীর অভিযোগ, দিনের পর দিন তাঁকে ধর্ষণ করেছে তাঁর বাবা। মেয়েটি যাতে চিৎকার করতে না পারেন, তার জন্য টিভিতে পর্নোগ্রাফি চালিয়ে তার আওয়াজ বাড়িয়ে দেওয়া হতো।
জেরার মুখে অভিযুক্ত স্বীকার করেছে, কেবল নিজের মেয়ে নয়, গত সাত বছর ধরে তার ১৭ বছর বয়সি নাবালিকা ভাইঝির ওপরেও সে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে।
নির্যাতিতার ঘর থেকে মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু আপত্তিকর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা এই শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের বিবরণ দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তরুণী।
রাজকোট গ্রামীণ পুলিশের সুপার বিজয়সিং গুর্জর জানান, অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্যাতিতা নাবালিকা ভাইঝিকে কাউন্সিলিং করানো হচ্ছে। তার জন্য আলাদা একটি অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তের অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পুলিশ প্রশাসন।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী দাদাদের সঙ্গেই খেলতে যেত খুদে মেয়েটি। কিন্তু সেই পরিচিত দাদাদের বিরুদ্ধেই এবার ৬ বছরের এক শিশুকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল দিল্লির ভজনপুরায়। গত ১৮ জানুয়ারির এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তিন নাবালকের, যাদের বয়স যথাক্রমে ১০, ১৩ এবং ১৬ বছর। পুলিশ ইতিমধ্যেই ছোট দু’জনকে ধরেছে। তবে বড় ছেলেটি গা-ঢাকা দিয়েছে বিহারে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন সন্ধ্যাবেলা মাসির বাড়ি থেকে ফিরছিল ওই শিশু। অভিযোগ, তাকে ভুল বুঝিয়ে একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে যায় ওই তিন কিশোর। সেখানেই তার ওপর পাশবিক অত্যাচার চালানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েটি বাড়ি ফিরলে প্রথমে ভয়ে বলেছিল, সে পড়ে গিয়েছে। কিন্তু শরীরের ক্ষত দেখে মা চেপে ধরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সব কথা জানায় খুদে নির্যাতিতা।
তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বাড়ির ছাদে রক্তের দাগও পেয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় সবথেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন ১০ বছরের এক অভিযুক্তের মা। নির্যাতিতার রক্তমাখা মুখ দেখে নিজের ছেলেকে তিনি নিজেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। বাকিদেরও কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছে শিশুর পরিবার। তদন্তে পুলিশ৷
