আজকাল ওয়েবডেস্ক: গৃহিণীরা, বিশেষ করে গৃহবধূরা সামলাবেন ঘর-সংসার। সামাজিক কাঠামোয় এ এক চেনা ছবি। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে, তবে একেবারে বদলে গিয়েছে তা বলা যায় না। এবার দেশের শীর্ষ আদালত সম্পূর্ণভাবে দাঁড়াল গৃহবধূদের পাশে। সাফ জানিয়ে দিল, দেশের পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দেওয়ার সময় এসেছে। শুধু তাই নয়, স্বামীর কর্তব্য এবার গৃহবধূকে অর্থনৈতিক অধিকার দেওয়া। আর সেই কারণেই গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কিম্বা এটিম ব্যবহারের ক্ষমতা থাকা উচিৎ। এই ধরণের ক্ষমতায়ন আর্থিকভাবে দুর্বল গৃহবধূকে আরও নিরাপদে রাখবে। জানাল সুপ্রিম কোর্ট। অনেক সময় স্বামীরা বুঝতে পারেন না গৃহবধূরা তাঁদের ওপর কতটা মানসিক ভাবে নির্ভরশীল, শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণ থেকে এদিন তাও উল্লেখ করেছে।
অর্থাৎ, একই দিনে মহিলাদের জন্য পরপর দুই সদর্থক পর্যবেক্ষণের কথা জানাল আদালত। বুধবার সকালে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, বিবাহ বিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলারা এবার থেকে খোরপোশ পেতে পারেন। এটা দান বা খয়রাতি নয়, তাঁদের অধিকার বলে সাফ উল্লেখ করা হয় রায়ে। ওই মামলার সূত্রেই সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পর্যবেক্ষণের কথা উঠে আসে।
বিবাহবিচ্ছিন্না এক মুসলিম মহিলা বিচ্ছেদের পর আবেদন জানিয়েছিলেন খোরপোশের। পারিবারিক আদালত এই মামলায় মহিলার পক্ষে রায় দিলে স্বামী নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে যান তেলেঙ্গানার হাই কোর্টে। উচ্চ আদালতও একই রায় বহাল রাখলে তিনি যান শীর্ষ আদালতে। তবে বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতও জানিয়ে দিল, বিবাহবিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলারাও এবার থেকে স্বামীর কাছে খোরপোশ পেতে পারবেন। এটা কোনও দান বা খয়রাতি নয়, এটা তাঁদের অধিকার।
বুধবার বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহর বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এই রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বুধবার শীর্ষ আদালত জানাল, কোনও বিবাহবিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারায় খোরপোশ চাইতে পারবেন। এবং একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, মুসলিম মহিলাদের এই বিবাহবিচ্ছেদ এবং খোরপোশের অধিকার সংক্রান্ত আইন কোনওভাবেই চাপা দিতে পারে না ধর্মনিরপেক্ষা আইনকে।। এই রায় কেবল মুসলিম মহিলা নয়, সকল মহিলাদের জন্যই প্রযোজ্য। একইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানায়, ‘ফৌজদারি আইনের ১২৫ ধারা সমস্ত মহিলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কেবল বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রেই নয় ।‘
অর্থাৎ, একই দিনে মহিলাদের জন্য পরপর দুই সদর্থক পর্যবেক্ষণের কথা জানাল আদালত। বুধবার সকালে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, বিবাহ বিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলারা এবার থেকে খোরপোশ পেতে পারেন। এটা দান বা খয়রাতি নয়, তাঁদের অধিকার বলে সাফ উল্লেখ করা হয় রায়ে। ওই মামলার সূত্রেই সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পর্যবেক্ষণের কথা উঠে আসে।
বিবাহবিচ্ছিন্না এক মুসলিম মহিলা বিচ্ছেদের পর আবেদন জানিয়েছিলেন খোরপোশের। পারিবারিক আদালত এই মামলায় মহিলার পক্ষে রায় দিলে স্বামী নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে যান তেলেঙ্গানার হাই কোর্টে। উচ্চ আদালতও একই রায় বহাল রাখলে তিনি যান শীর্ষ আদালতে। তবে বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতও জানিয়ে দিল, বিবাহবিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলারাও এবার থেকে স্বামীর কাছে খোরপোশ পেতে পারবেন। এটা কোনও দান বা খয়রাতি নয়, এটা তাঁদের অধিকার।
বুধবার বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহর বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এই রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বুধবার শীর্ষ আদালত জানাল, কোনও বিবাহবিচ্ছিন্না মুসলিম মহিলা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারায় খোরপোশ চাইতে পারবেন। এবং একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, মুসলিম মহিলাদের এই বিবাহবিচ্ছেদ এবং খোরপোশের অধিকার সংক্রান্ত আইন কোনওভাবেই চাপা দিতে পারে না ধর্মনিরপেক্ষা আইনকে।। এই রায় কেবল মুসলিম মহিলা নয়, সকল মহিলাদের জন্যই প্রযোজ্য। একইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানায়, ‘ফৌজদারি আইনের ১২৫ ধারা সমস্ত মহিলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কেবল বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রেই নয় ।‘
















