আজকাল ওয়েবডেস্ক: শীত পড়ার আগে আগে দূষণের চরমে রাজধানী দিল্লি। তীব্র বায়ু দূষণের সঙ্গে লড়াই করছে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল। নিত্যদিন মাপা হচ্ছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স এবং প্রত্যেকদিন তা বিপজ্জনক হচ্ছে ক্রমশ। তবে এর মধ্যেও ভারতের বেশ কিছু শহর রয়েছে যা কিনা দেশের মধ্যে সবথেকে পরিষ্কার, বলা ভাল এই শহরগুলিতে বায়ু দূষণ সবথেকে কম।
মিজোরামের রাজধানী আইজল এই তালিকায় শীর্ষস্থানে। এই শহরগুলিতে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স সবসময়ই পঞ্চাশের নিচে। বাতাসের মান ভাল থাকায় এই ধরনের শহরগুলিতে পরিবেশ সুস্থ থাকে বলে জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা। মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইজলের পরে রয়েছে আসামের নগাঁও। মঙ্গলবারের হিসেবে এখানকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৩৮। তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে কেরালার ত্রিসুর এবং কর্ণাটকের বাঙ্গালকোট যেখানকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স যথাক্রমে ৪৩ এবং ৪৬।
দূষণ মুক্ত শহরের তালিকায় রয়েছে আসামের গুয়াহাটি এবং অরুণাচলের নাহারলাগুন। প্রসঙ্গত, দিল্লির দূষণ পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। মরসুমের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে বাতাসের গুণগত মান বা একিউআই। ধোঁয়াশার চাদরে ঢাকা দিল্লিতে এক ধাক্কায় অনেকটা কলেজের দৃশ্যমানতাও। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিল্লির বাতাসের গুণগত মান বা একিউআই গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯৪।
যা চলতি মরসুমের সবচেয়ে 'ভয়াবহ' পর্যায়ে রয়েছে। বেশির ভাগ জায়গায় ৫০০ ছুঁইছুঁই। এই নিয়ে টানা সাত দিন দিল্লির বাতাসের গুণগত মান 'ভয়াবহ' পর্যায়েই রয়েছে। দূষণ ও ধোঁয়াশার কারণে এদিন সকালে দিল্লি বিমানবন্দরের দৃশ্যমানতা কমে দাঁড়িয়েছে ১০০ মিটারে। পালামে সকাল সাতটায় দৃশ্যমানতা ছিল ১৫০। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ফের দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেরিতে ওঠানামা করছে সমস্ত বিমান।
