আজকাল ওয়েবডেস্ক: এই সপ্তাহে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্র যে বিলগুলি আনতে চলেছে, তার আসল বিষয় নারী সংরক্ষণ নয়, নারীর 'সীমা নির্ধারণ'। সোমবার এই দাবি করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। কেন্দ্রকে নিশানা করে সতর্ক করে দিয়েছেন সোনিয়া। বলেছেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণের এই প্রস্তাবটি "অত্যন্ত বিপজ্জনক" এবং এটা "সংবিধানের ওপর একটি আঘাত"। তাঁর অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রকৃত উদ্দেশ্য এখন জাতিভিত্তিক জনগণনা আরও বিলম্বিত করা এবং তা বিপথে চালিত করা।
'দ্য হিন্দু' পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামত কলামে, সোনিয়া গান্ধী সরকারের সীমানা পুনর্নির্ধারণ পরিকল্পনা সংক্রান্ত কিছু অনানুষ্ঠানিক তথ্যের উল্লেখ করেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, এই পরিকল্পনাগুলো রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামোকে ব্যাপকভাবে বদলে দিতে পারে এবং সাংবিধানিক নীতিগুলোকে দুর্বল করে ফেলতে পারে।
'নারীর সংরক্ষণ বিল' (যা 'নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম' নামেও পরিচিত) ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০১৩ সালে পাশ হওয়া এই বিলটিতে আইনসভাগুলোতে নারীদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই আইনে একটি সংশোধনী আনার লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দলের কাছে সমর্থন চেয়ে চিঠি লিখেছেন।
প্রস্তাবিত এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল, বিলটির বাস্তবায়নকে ২০২৭ সালের জনগণনার ওপর নির্ভরশীল না রেখে, ২০১১ সালের জনগণনা ওপর ভিত্তি করে কার্যকর করা। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই নারীর সংরক্ষণের বিষয়টি কার্যকর করাই এই বিলের মূল্য উদ্দেশ্য।
ওই মতামত কলামে সোনিয়া গান্ধী জোর দিয়ে বলেছেন যে, লোকসভার সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সীমানা পুনর্নির্ধারণের যে কোনও প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে অবশ্যই ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে। কেবল গাণিতিক হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না।















