আজকাল ওয়েবডেস্কঃ বৃহস্পতিবার দুপুরে আহমেদাবাদের বিজে মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। তখন কলেজে লাঞ্চের সময়। মেসে দুপুরের খাবার মিস করেন গোধরার এক স্নাতকোত্তর মেডিকেল ছাত্রী। তিনি জানতেন না, প্রাত্যহিক লাঞ্চটা  মিস করলে  মারাত্মক এক ট্র্যাজেডির হাত থেকে রক্ষা পাবেন। এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গেছেন । 

প্রথম বর্ষের এমডি (মেডিসিন) ছাত্রী ডাঃ লালওয়ানি সাধারণত দুপুরের খাবারের জন্য রোজ হোস্টেলের মেসে যেতেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার, যখন লন্ডনগামী বিমানটি কলেজ কমপ্লেক্সে ভেঙে পড়ে, সেসময় তিনি তাঁর নিয়মিত লাঞ্চ এড়িয়ে যান। তাঁর বাবা সুরেশ লালওয়ানি গোধরার এক ব্যাংক কর্মচারী। তিনি পরিবারের আতঙ্কের কথা বর্ণনা করেছেন। ডঃ লালওয়ানি তাঁর পরিবারকে আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা বলেন। তিনি জানান,  সীতা পাটনি নামে বয়স্ক মহিলা নিয়মিত তাঁকে চা এবং জলখাবার পরিবেশন করতেন। তিনি ও তাঁর ছোট নাতি দুর্ঘটনায় কমপ্লেক্সেই মারা গেছেন। কলেজের হোস্টেলের কমপ্লেক্সের বিশাল অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,  যা শহরকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

খবর অনুসারে, বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে বিজে মেডিকেল কলেজে একশো জনেরও বেশি এমবিবিএস শিক্ষার্থী ছেলেদের হোস্টেলের মেসে লাঞ্চ করছিলেন। ঠিক তখনই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ভেঙে পড়ে সেখানে। ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (FAIMA) সূত্রের খবর, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে পাঁচজন এমবিবিএস ছাত্র, একজন স্নাতকোত্তর আবাসিক ডাক্তার এবং কলেজের একজন সুপারস্পেশালিস্টের স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
 ঘটনার জেরে ৬০ জনেরও বেশি মেডিকেল ছাত্র আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।