আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাটনায় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর হস্টেলটি সিল করে দিয়েছে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণী জাহানাবাদের বাসিন্দা ছিলেন। পাটনার চিত্রগুপ্ত নগরের একটি বেসরকারি হস্টেলে থেকে তিনি পড়াশোনা করতেন। চলতি মাসের শুরুতে হস্টেলের ঘর থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। টানা কয়েক দিন কোমায় থাকার পর ১১ জানুয়ারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ওই তরুণীকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছে। পুলিশ তথ্য গোপন করার চেষ্টা করছে। এই অভিযোগ ঘিরেই উত্তাল হয়ে ওঠে পাটনা। আন্দোলনের মুখে পড়ে হস্টেল মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তদন্তে নেমে ‘সিট’-এর আধিকারিকেরা মঙ্গলবার হস্টেলটি পরিদর্শন করেন। প্রায় আধ ঘণ্টা তল্লাশির পর সেটি সিল করে দেন। এর আগে তাঁরা মৃতার বাড়িতে গিয়েও কথা বলেন। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই ছাত্রীর। পাশাপাশি তিনি টাইফয়েডেও ভুগছিলেন। সম্প্রতি জন সূরাজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোর মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পুনর্তদন্তের দাবি জানান। তার পরেই তড়িঘড়ি এই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন বিহারের ডিজিপি।
অন্যদিকে, এই বিতর্কের মধ্যেই পাটনার আরও এক হস্টেলে এক কিশোরী ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। ঔরঙ্গাবাদের বাসিন্দা ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীও নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ৬ জানুয়ারি এক্সিবিশন রোডের একটি হস্টেল থেকে তাঁর দেহ মেলে। এই ঘটনায় এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, ওই কিশোর হস্টেলে ঢুকে ছাত্রীকে হেনস্থা করেছিল।
