আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরে হাড়হিম কাণ্ড৷ রবিবার এক পুলিশ ফাঁড়ির ভেতর থেকে দুই পুলিশকর্মীর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছে৷ এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ মৃতদের মধ্যে একজন পাঞ্জাব পুলিশের এএসআই গুরনাম সিং এবং অন্যজন হোমগার্ড অশোক কুমার। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে আধিয়ান এলাকায় ওই ফাঁড়িটি অবস্থিত।

পুলিশ সূত্রে খবর, সীমান্তের দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিএসএফ-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে পাঞ্জাব পুলিশের এই ফাঁড়িগুলি। গুরুদাসপুরের পদস্থ পুলিশ আধিকারিক আদিত্য জানান, "সকালে খবর পাই আমাদের দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে ফরেন্সিক ও বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।"

এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও নাশকতামূলক ছক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দু’টি বাইকে চড়ে পাঁচজন ব্যক্তি ওই ফাঁড়ির দিকে যাচ্ছিল। সেই ফুটেজটি এখন খুঁটিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

ঘটনার গুরুত্ব বিচারে ডোরংলা সেক্টর অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিএসএফ-এর দাবি, সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সরা নতুন করে বেশ কিছু আস্তানা গেড়েছে, যেখান থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ড্রোন ওড়ানো হয়। এই পথ দিয়েই মূলত মাদক ও অস্ত্র পাচারের চেষ্টা চালায় জঙ্গিরা। গত বছর এপ্রিলেও এখানে এক আইইডি বিস্ফোরণে এক বিএসএফ জওয়ান আহত হয়েছিলেন। এমন এক এলাকায় পুলিশকর্মীদের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সীমান্ত জুড়ে।

অন্যদিকে, সাতপাক ঘুরে কনেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন বর। কিন্তু মাঝরাস্তায় সেই আনন্দ বদলে গেল হাড়হিম আতঙ্কে। ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলায় খোদ বরের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে নববধূকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই তরুণীর প্রাক্তন প্রেমিক বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, বোলাঙ্গিরের বাসিন্দা হরিণবন্ধু প্যাটেল কান্তামালে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন। রবিবার ভোরে অনুষ্ঠান সেরে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। গাড়িতে পরিবারের অন্য সদস্যরাও ছিলেন। অভিযোগ, বড়াবান্ধার কাছে একটি নির্জন রাস্তায় আচমকাই তিনটি যুবক তাঁদের গাড়ি আটকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিযুক্তরা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে সরাসরি বরকে হুমকি দিতে শুরু করে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে দেখে বাধা দেওয়ার সাহস পাননি উপস্থিত কেউই। মুহূর্তের মধ্যে কনেকে নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। অসহায় অবস্থায় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন পরিজনরা।

এরপরই তরভা থানায় গিয়ে ঘটনার বিবরণ দেন হরিণবন্ধু। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি তদন্তে নেমেছে পুলিশ। থানার আইআইসি অনিতা কিড়ো জানিয়েছেন, "তিন জন মিলে বন্দুক দেখিয়ে তরুণীকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। ওই যুবতীর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।" সাতসকালে ভরা রাস্তায় এমন ফিল্মি কায়দায় কনে অপহরণের ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।