আজকাল ওয়েবডেস্ক: কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল ভারত। শত্রু দেশের সন্ত্রাসবাদকে তছনছ করে দিয়ে রবিবার প্রথমবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি মোদি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ধ্বংস হওয়া জঙ্গি ঘাঁটি গুলির ছবিও প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ কার্যকর করে। ভারতীয় সেনার হামলার ধ্বংস হয় লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের একাধিক ঘাঁটি। মোদি এদিন বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর আমাদের দৃঢ়তা, সাহস এবং বদলে যাওয়া ভারতের প্রতিচ্ছবি। এটি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতকে নতুন শক্তি ও আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে’। তাঁর মতে, এই অভিযান ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিকল্পনা ও কৌশলের অন্যতম নিদর্শন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে আরও একবার প্রতিষ্ঠিত করেছে এই অপারেশন।

?ref_src=twsrc%5Etfw">May 25, 2025

হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের কপালে ‘সিঁদুর’ মুছে দেওয়ার ঘটনা থেকেই ভারতীয় সেনার অভিযানের নাম দেওয়া  হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। মোদি বলেন, ‘সিঁদুর’ ভারতের সংকল্প ও প্রতিশোধের প্রতীক। প্রসঙ্গত, পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত শিবিরের মোট ৯টি জঙ্গি শিবিরে মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের কোটলিতে গুলপুর ও আব্বাস শিবির এবং ভিম্বারে বারনালা শিবিরের ধ্বংস হওয়া ছবি দেখান প্রধানমন্ত্রী। লস্কর জঙ্গিদের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি ছিল এগুলি। ধ্বংস করা হয় পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরে মারকাজ সুবহান শিবির। যা জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি বলে পরিচিত। একইসঙ্গে ধ্বংস করা হয় লস্কর-এর মারকাজ তাইবা (মুরিদকে), যা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার মতো একাধিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।