আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময়েই ভেঙে পড়ে বিমানটি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেল–এর ‘ভিটি–এসএসকে’ বিমান। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটিই বুধবার সকালে ভেঙে পড়ে বারামতীতে।


জানা গিয়েছে, লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান অতীতেও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। এর আগে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিশাখাপত্তনম থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে উড়ানের সময়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল একটি লিয়ারজেট ৪৫ বিমান। সেটিও অবতরণের সময়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। 


তদন্তের পর জানা গিয়েছিল বিশাখাপত্তনম থেকে উড়ান স্বাভাবিকই ছিল বিমানটির। যাত্রাপথেও কোনও সমস্যা হয়নি। বিপত্তি ঘটে অবতরণের সময়েই। মুম্বই বিমানবন্দরে তখন বৃষ্টি হচ্ছিল। দৃশ্যমানতাও কিছুটা কমে গিয়েছিল। বিমানটি ২৭ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি পেয়েছিল। ওই অবতরণের চেষ্টার সময়ই ভেঙে পড়েছিল বিমানটি।


প্রসঙ্গত, এই মডেলের বিমানগুলিতে দু’টি ইঞ্জিন থাকে। সাধারণত এই বিজনেস জেট বিভিন্ন কর্পোরেট এবং ভিআইপি–দের সফরের জন্য ব্যবহার করা হয়। মাঝারি মাপের এই বিমানটি স্বল্প এবং মাঝারি দূরত্বের উড়ানের জন্য উপযুক্ত। মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে ভেঙে পড়া এই লিয়ারজেট ৪৫ বিমানটি পরিচালনা করছিল ‘ভিএসআর ভেঞ্চার্স’ নামে এক সংস্থা। সেই ‘ভিএসআর ভেঞ্চার্স’–এর বিমান দুর্ঘটনাতেই মারা গেলেন অজিত পাওয়ার। 


কী কারণে এই বিমান দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার সময়ে মাঝারি মাপের ওই চার্টার্ড বিমানটিতে অজিত–সহ ছয় জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দু’জন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ছয় জনেরই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি দল বারামতী বিমানবন্দরে পাঠিয়েছে ডিজিসিএ।