আজকাল ওয়েবডেস্ক: জঙ্গি হামলার জেরে রক্তাক্ত হয়েছে কাশ্মীর। এই ঘটনার জেরে গোটা দেশে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে মঙ্গলবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। জঙ্গিদের হামলার জেরে ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৬ জন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক।


পহেলগাঁওতে এই জঙ্গি হামলার ঠিক এক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তান আর্মি চিফ জেনারেল আসিম মুনিরের একটি বক্তব্য সকলের নজরে এসেছে। ইসলামাবাদে এসে তিনি একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘কাশ্মীর তাঁদের দেহের একটি অংশ। এখানে পাকিস্তানের বক্তব্য একেবারে পরিষ্কার। কাশ্মীরকে তারা কখনই ভুলতে পারবেন না। কাশ্মীরের ভাইদের ঐতিহাসিক যুদ্ধকে তারা ভুলতে পারেন না।’ এই বক্তব্যটি মুনির রেখেছিলেন ১৬ এপ্রিল। 

 

?ref_src=twsrc%5Etfw">April 17, 2025


মুনিরের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করেছিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। তারা মুনিরের এই বক্তব্যের বিরোধীতা করে বলেছিল তিনি কীভাবে এমন একটি মন্তব্য করতে পারেন। কাশ্মীর ভারতের একটি অংশ। তবে এবার মুনিরের এই বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।


কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে যে জঙ্গি হামলা হয়েছে তার দায় স্বীকার করেছে টিআরএফ। এরা পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈবার একটি অংশ। এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে লস্কর ই তৈবার কমান্ডার সৈফুল্লাহ কাসুরি এবং আলিস খালিদের নাম উঠে এসেছে।  


হামলার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তড়িঘড়ি কাশ্মীর পৌঁছে রাজ্যপাল মনোজ সিনহা ও মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যিনি সৌদি আরব সফরে ছিলেন, তাঁর সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে আসেন। তিনি টুইটে জানান, "এই বর্বর ঘটনার পেছনে যারা আছে, তাদের বিচার হবেই। আমাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হবে।"


বেঁচে ফেরা পর্যটকদের বক্তব্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদীরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে পুরুষদের গুলি করে হত্যা করে। নিহতদের দেহ ইতিমধ্যেই তাঁদের নিজ নিজ রাজ্যে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পর্যটকদের সহায়তার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক বিমান সংস্থাগুলিকে ভাড়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে অনুরোধ করেছে।