আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও আলোচনার কেন্দ্রে সোশ্যালাইট ও ইনফ্লুয়েন্সার Orry। সম্প্রতি ইউটিউবার Elvish Yadav-এর সঙ্গে এক চ্যাট শোতে তাঁর করা মন্তব্য ঘিরে নেটমাধ্যমে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য ও বিতর্ক।
এক ব্যক্তির নাকি আট বছর ধরে বাচ্চা হচ্ছিল না, ওরি সেই ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ ছুঁতেই নাকি দ্রুতই গর্ভবতী হন ওই ব্যক্তির স্ত্রী! ওরির মন্তব্য, “ওই ব্যক্তি আমাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলেন, ওরি আমার সন্তান হচ্ছে না। তুমি কি কোনওভাবে সাহায্য করতে পারো? উনি আমাকে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমিও অমত করিনি। বলেছিলাম, আমার ছোঁয়ায় কাজ হলে আমি সাহায্য করতেই পারি। তবে দিনের দিনই আমার পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিতে হবে!”
ভিডিওতে ওরি জানান, তাঁর তথাকথিত “টাচ” নাকি এক দম্পতির সন্তান লাভে সাহায্য করেছে। কথোপকথনে তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নাকি তাঁকে জানান যে আট বছর ধরে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর সন্তান হচ্ছিল না। সেই ব্যক্তি টিভিতে ওরির সাক্ষাৎকার দেখে তাঁর কাছে বিশেষ “টাচ” চেয়েছিলেন।
ওরির দাবি অনুযায়ী, তিনি সেই ব্যক্তিকে পোশাকের ওপর থেকে স্পর্শ করেন। তিন মাস পর নাকি ওই ব্যক্তির স্ত্রী গর্ভবতী হন। যদিও ওরি নিজেই কথোপকথনে বলেন, “আমি বলছি না যে এটা আমার জন্যই হয়েছে,” তবুও আট বছরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বিষয়টিকে রহস্যময় করে তোলেন।
এই মন্তব্যের পর শোতে উপস্থিত এলভিশ যাদবকে দৃশ্যতই অপ্রস্তুত দেখায়। ভিডিও ক্লিপে তাঁর মুখভঙ্গিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাদা করে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি এক্স ও রেডিটে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মন্তব্যের বন্যায় ভরে যায় পোস্ট। কেউ লিখেছেন, “I want to unsee this,” আবার কেউ বলেছেন, “প্রথমবার এলভিশকে বাকরুদ্ধ দেখলাম!”
&t=781sআরও একাধিক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন যে ওরি ইচ্ছাকৃতভাবে ‘রেজ বেটিং’ করছেন—অর্থাৎ বিতর্কিত বা অবাস্তব দাবি করে আলোচনায় থাকতে চাইছেন। কেউ কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, “ফার্টিলিটি ক্লিনিকের তো এবার দুঃসময়!” একাংশের মতে, পুরো ঘটনাটি নিছক প্রচারের কৌশল। অন্যরা এটিকে হাস্যরসের ছলে নেওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন।
সেলিব্রিটিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভঙ্গিতে ছবি তোলার নিজস্ব স্টাইলের জন্য আগে থেকেই পরিচিত ওরি। একসময় তিনি জানিয়েছিলেন, ভক্তদের সঙ্গে সেই ‘সিগনেচার পোজ’-এ ছবি তুলতে তিনি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকও নেন।
এদিকে, বর্তমানে অভিনেত্রী Sara Ali Khan ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ওরির চলমান বিবাদ নিয়েও শিরোনামে রয়েছেন তিনি। ফলে একের পর এক বিতর্কে ওরির নাম ঘুরেফিরে আসছে সংবাদমাধ্যমে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্ধ্যাত্ব একটি জটিল চিকিৎসাগত বিষয় এবং এর পেছনে নানা শারীরিক, হরমোনজনিত বা মানসিক কারণ থাকতে পারে। এমন ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ও পরামর্শই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ।
ওরির মন্তব্যকে অনেকে নিছক কৌতুক বা অতিরঞ্জন বলেই দেখছেন। তবে ভাইরাল সংস্কৃতির যুগে এই ধরনের বক্তব্য যে দ্রুত আলোড়ন তোলে, তা আবারও প্রমাণ হল এই ঘটনায়। সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে কতটা চমকপ্রদ বক্তব্য দেওয়া উচিত—এই প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে এই বিতর্কের পর।
