আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতে প্রতি বছর ২৫শে জানুয়ারি 'জাতীয় ভোটার দিবস' পালিত হয়। জনগণকে, বিশেষ করে তরুণ নাগরিকদের, ভোটদানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটি উদযাপন করা হয় ।
জাতীয় ভোটার দিবসের ইতিহাস:
- ২০১১ সালে প্রথম জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়েছিল। এটা ভারতের নির্বাচন কমিশন শুরু করেছিল।
- ১৯৫০ সালের ২৫শে জানুয়ারি ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই এই দিনটিই 'জাতীয় ভোটার দিবস' পালনের জন্য বেছে নেওয়া হয়।
কেন জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়?
- জাতীয় ভোটার দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য হল, ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- নতুন ভোটারদের, বিশেষ করে প্রথমবারের ভোটারদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা।
- অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে উৎসাহিত করা।
- নাগরিকদের তাদের ভোটাধিকার এবং কর্তব্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা
ভোটদানের তাৎপর্য:
- গণতন্ত্রে ভোটদান একজন নাগরিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধিকার।
- নাগরিকরা ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করে দেশ ও জাতি গঠনে অংশ নেয়।
- গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।
- জাতীয় ভোটার দিবসের প্রতিপাদ্য প্রতি বছর পরিবর্তিত হয় এবং নির্বাচনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজলভ্য করার উপর মনোযোগ দেয়।
জাতীয় ভোটার দিবসের কার্যক্রম:
- এই দিনে ভোটার সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
- নতুন ভোটারদের ইলেক্টর ফটো আইডেন্টিটি কার্ড (EPIC) দেওয়া হয়।
- দায়িত্বের সঙ্গে ভোট দেওয়ার শপথ গ্রহণ করা হয়।
- স্কুল ও কলেজে সেমিনার, র্যালি এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
জাতীয় ভোটার দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব রয়েছে। এটা নাগরিকদের গণতন্ত্রে সক্রিয়, সচেতন এবং দায়িত্বশীল অংশগ্রহণকারী হতে উৎসাহিত করে। একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র সচেতন এবং সক্রিয় ভোটারদের উপর নির্ভর করে।
